RezwanAhmed & His Team || Software Engineer

What type of Advice Suggest in Islam about Performing Job of Women

What type of Advice Suggest in Islam about Performing Job of Women


“মেয়েদের ভিড়ে ছেলেরা আজ দিশেহারা….
১০ টা মেয়েকে চাকরি না দিয়ে ১০ জন পুরুষকে চাকরি দিন,, এতে ১০ টা বেকার কমবে,, ১০ জন নারী কর্মজীবি স্বামী পাবে, ১০ টা নতুন সংসার তৈরি হবে, ১০ টা পরিবারে সচ্ছলতা আসবে, ১০ জন পুরুষ নিজের পায়ে দাঁড়াবে, ১০ টা স্ত্রী তার স্বামীর আদেশ মেনে চলবে, এতে করে পারিবারিক শান্তি আসবে……
আর
# ১০ টা নারীকে চাকরী দিলেঃ – ১০ টা বেকার পুরুষ বেড়ে যাবে,১০ টা সন্তান যথাযথ মায়ের আদর যত্ন থেকে বঞ্চিত হবে,, এ ছাড়াও মহিলাদের পর্দার আড়ালে থাকাই উত্তম এবং এটাই তাদের জন্য নিরাপদ স্থান…
মহান আল্লাহ বলেন ::
ﻭَﻗَﺮْﻥَ ﻓِﻲ ﺑُﻴُﻮﺗِﻜُﻦَّ ﻭَﻻ ﺗَﺒَﺮَّﺟْﻦَ ﺗَﺒَﺮُّﺝَ ﺍﻟْﺠَﺎﻫِﻠِﻴَّﺔِ ﺍﻷﻭﻟَﻰ আর তোমরা নিজ ঘরে অবস্থান করো, প্রাচীন জাহেলী যুগের প্রদর্শনীর মতো নিজেদেরকে প্রদর্শন করে বেড়াও না (আল-আহ্যাব: ৩৩/৩৩)”
সত্তিকার অর্থে ইসলামে মেয়েদের চাকরি নিয়ে কি বলে?
ইসলাম সর্বদা নারীদের শালীন পরিবেশে শিক্ষা, কাজ ও চলাফেরার কথা বলে। শরিয়ত নির্ধারিত গন্ডির মধ্যে থেকে নারীরা অবশ্যই শিক্ষা অর্জনসহ অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করতে পারবে।
ইসলাম কোথাও নারীকে বন্দী করে রাখার কথা বলেনি। ইসলাম নারী শিক্ষার প্রতি যেমন গুরুত্বারোপ করেছে তেমনি নারী-পুরুষের ভোটাধিকারেও কোনো ধরনের পার্থক্য সৃষ্টি করেনি। এমনকি ইসলাম নারীকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে কাজ ও ব্যবসা-বাণিজ্যের অধিকারও প্রদান করেছে।
কোরআনে কারিমের সূরা বাকারার ১৮৬ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে,
‘আমি ব্যবসাকে হালাল করেছি এবং সুদকে হারাম করেছি।’
এই আয়াতে ব্যবসা হালাল হওয়া এবং সুদ হারাম হওয়া নারী-পুরুষের জন্য সমভাবে প্রযোজ্য। একজন পুরুষ হালাল পন্থায় যেসব ব্যবসা করতে পারবে। নারীও সে ধরনের ব্যবসা করতে পারবে। সে বিবাহিত হোক কিংবা অবিবাহিত হোক। সে তার অর্জিত সম্পদের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণকারী। সে কোনো বিধি নিষেধ ছাড়াই তার সম্পত্তির ব্যাপারে সব ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে, যা একজন পুরুষের জন্যও প্রযোজ্য। কোরআন ও হাদিসের কোনো স্থানে নারীর কাজকর্মের ব্যাপারে কোনো বিধি নিষেধ আরোপিত হয়নি।
শুধু দু’টি বিষয়ের প্রতি সঙ্গত কারণে নির্দেশ দিয়েছে।
শর্ত দু’টি হলো প্রথমত, ব্যবসা হতে হবে হালাল পদ্ধতিতে ও শরিয়ত নির্ধারিত সীমারেখার মধ্যে।
দ্বিতীয়ত, পর্দা রক্ষা করতে হবে।
Advertisements