A Brand Name ||Official Url :: Software UI Designer| Database Platform | OS | W€B | Server | Programming | Computing Technology ::

Think Technology and New Bangladesh | 16December|Victory Day of Bangladesh

Think Technology and New Bangladesh | Bengali Version for 16December|Victory Day of Bangladesh


প্রযুক্তি ভাবনা ও আশা সম্ভাবনার নতুন বাংলাদেশ ||| বিজয় দিবস ১৬ই ডিসেম্বর ।
HAPPY VICTORY DAY | December 16

বিজয় দিবস – তুমি লাল সবুজের দেশ – বাংলাদেশ।
বিজয় দিবস – তুমি লাখো শহীদের রক্তে আঁকা এক মানচিত্র।
তুমি লাল সূর্য, আর সবুজ ভুমিতে আঁকা এক বাংলাদেশ
কিশোরীর লাল সবুজে আঁকা, শত মানুষের ভালোবাসার বাংলাদেশ।
বিজয় দিবস – তুমি হাজার মায়ের চোখের পানি, অনেক সৃতি,
বিজয় দিবস – তুমি হাজার তরুন – তরুণীর মুক্ত-ধ্বনি…
অনেক স্বপ্ন, অনেক আশা, কিছু হতাশা, অনেক সম্ভাবনার দেশ…
বিজয় দিবস–তুমি থাকো চিরজীবী, বিজয় হোক আমাদের বাংলাদেশ

বাংলাদেশ অবশ্যই এগিয়েছে, উন্নত হয়েছে অনেকটা – এই কথাটা আবার দল পর্যায় ভাববেন না।।

*** চিন্তা করুন – আগে কি ছিল, এখন কি হচ্ছে বাংলাদেশের প্রজুক্তিতে। আমাদের বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় সবেমাত্র ৪৩ বছর। আমাদের বাংলাদেশে প্রযুক্তি ভিত্তিক কাজ গুলো অবশ্যই দেশের সফটওয়্যার প্রকৌশলী, নেটওয়ার্ক প্রকৌশলী, আর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তি মুলক কাজের ডিজাইন সরকার সংগ্রহ করছে, তা প্রয়োগও করছে। উদাহরন হল – ডিজিটাল প্রিপেইড মিটার, ই – কৃষক, তথ্য সেবাকেন্দ্র, আর সবার হাতেই উন্নত প্রযুক্তির যন্ত্র, অবশ্যই কিছুটা উন্নত হয়েছে দেশের ইন্টারনেট সিস্টেম, যুক্ত হয়েছে ঘরে ঘরে ওয়াইফাই, উন্নত বিদ্যুৎ সিস্টেম – এমন আরও বেশ কিছু দেখুন – এমন অনেক কিছু আশে পাশে। যারা বলবেন – এ আর কি।
— আচ্ছা আজ ঘরের কোনে বসে যে ইন্টারনেট ব্যাবহার করছেন, সেই অপটিক ফাইবারের কাজ কি আপনি করছেন।একটু ধীরে এগোচ্ছে, কিন্তু আমি বলবো কিছুটা হলেও অনেক উন্নত হছে আগের থেকে – যারা বুঝে, তারা বুঝবেন আমার কথা, আর যারা বুঝে না, তারা আরও কতো কিছু বলে যাবে। এটাই নিয়ম।

বাংলাদেশ এগোচ্ছে কিন্তু মুল সমস্যা-আমরা নিজেদের সাফল্য নিয়ে যত বেশী উচ্চবাক, নিজেদের ব্যর্থতা নিয়ে ততটা নির্বাক আর অন্যকে ছোট করতে ততই সচেষ্ট। মত পার্থক্য, পরাজয় থাকবে থাকবে, কিন্তু আমাদের দেশের তরুনদের মাঝে এখনো অনেক কিছুতে দ্বিধা – বিভক্তি খুব বেশী, কেউ সমালোচনা করলো, অমনি তাকে ভ্রান্ত বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে বাতিল করে দিই, কিংবা মেরে ফেলি।

আরও একটা সমস্যা – আমাদের সমস্যাটা কোথায় জানেন – দেশের কোনো কিছুকেই আমরা আমাদের করে ভাবতে পারি না, অন্যজনের মতামতকে সম্মান দিতে পারি না – বরং ফালতু আর বোকা বলে সম্বোধন করে বসি, এরপর বড়দের অসম্মান করে কথা বলা আর তারপর অনেকে আছে অন্যজনের আইডিয়া কপি করেই চলতে চায় – কিন্তু নিজে আইডিয়া বানাতে পারে না, একটু বেশি বুঝে ফেলে।

আর পরিবারের প্রধান ‘ আমার বাবা ” আইটি প্রযুক্তির সাথে জড়িত ছিলেন – দীর্ঘ ৩০ বছর, উনি সোনালী ব্যাংকের কম্পিউটার ডিভিশনের অগ্রযাত্রায় ছিলেন, আর আমার বাবার হাতেই ছিল এই বাংলাদেশের সোনালী ব্যাংকের কম্পিউটার ডিভিশনের অগ্রযাত্রা ১৯৮৬ সনে। অনেক পুরানো ম্যাক পিসি বাসায় ছিল-যদিও আমার চেয়ে বাবা ব্যবহার করতেন, আমি তাকিয়ে দেখতাম শুধু।

একটা বিশেষ অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি – ” আমি অনেক আগে থেকেই লেখালেখি করি ১৯৯৯ থেকে, বাংলাদেশে আসার পর থেকেই নিজেকে নতুন ভাবে যখন শুরু করলাম, আবার কিছু লেখালেখিও শুরু করলাম প্রযুক্তি নিয়ে –আমার থেকে বয়সে ১০ বছরের ছোট একজন আমাকেই বলে – “ আপানার কি কোন কাজ কাম নাই, সারাদিন মানুষরে নিয়ে লিখেন, কার কি হয়েছে, কার কি সমস্যা তা নয়ে সমাধান করতে আসেন কেন ” আমি বলবো অবশ্যই এটা সবার নৈতিক অধিকার কারো সমস্যায় সমাধান করায় এগিয়ে আসা। এখানেও সম্মান কাকে কিভাবে দিতে হবে – সেই অভাব।

আমরা – যারা ভালো করে, সফলতা অর্জন করে শুধুই তাদের বাহবাহ দিতে জানি, আর যে পরাজিত, বা একটু খারাপ করে,ব্যর্থ হয় তাদেরকে ছোট করে দেখি, এমনভাবে হেয় করা কখনো উচিৎ না। কিন্তু পরাজিতদের পাশে যদি দাঁড়ানো জেত, সবাই সাফল্য দিয়ে দেশের উন্নতিতে অবদান রাখতে পারতো। সবাই পর্দার সাফল্যকেই গুরুত্ব দেয়, কেউ তার পেছনের সংগ্রামের কথা জানতে চায় না। আর নিজের ওপর বিশ্বাস থাকতে হবে।

” এরপর নিজস্ব সংস্কৃতিতে অসম্মান!!!
আমাদের দেশের মেয়েরা যখন একটু স্বাধীনচেতা হয়ে যখন অনেকটা আধুনিক ফ্যাশন ডিজাইনের পোশাক পড়ে- তখন দেশের এমন কিছু তরুন আছে – বাকা চোখে তাকায়, কিন্তু এসব তরুন ঠিকই বিদেশী সংস্কৃতি ও পাশ্চাত্য মেয়েদের নিয়ে অনেক লাফালাফি করে। শুধুমাত্র, বাংলাদেশ নামের নিজেদের দেশের মেয়েদের বেলায় – তাদের বেশি চুলকায়।

“ স্বপ্ন দেখুন, আশায় থাকুন ”-
সবাই সমস্যা সমাধানের আশায় থাকে। আশায় থাকুন – একদিন সত্য সুন্দর বাংলাদেশ পাবেন।
কিন্তূ অনেক তরুণদের মাঝে স্বপ্ন দেখার প্রবনতা একদমই কম, স্বপ্ন দেখতে শিখো, পরিশ্রম করে একবারে কিছু না পেলে, হাল ছেড়ে দেয় বিভিন্ন জনের সমালোচনায়, কিন্তু সেই ভয় না পেয়ে – পরিশ্রম করতে থাকো – শত প্রতিকুলতার মাঝে, এই স্বপ্নই আলোর পথ দেখাবে, হয়তো একটু পিছিয়ে যেতে পারো, কিন্তু স্বপ্ন ধরে রাখতে হবে, এই স্বপ্নই সামনে এগিয়ে নেবার সাহস যোগাবে।
আজকের ছেলেমেয়েরা একদিন আগামী প্রজন্মের – বাবা মা হবে – তারা হয়তো আজ থেকে ৩০ বছর পর বলবে – এই মহাখালী – মগবাজার, আরিচা মহাসড়ক ছিল অসহ্য যানজট, আর এখন তোমরা ফ্লাই ওভার দিয়ে আরামে যাচ্ছ।

নিজের বাঁধা কাজ ছাড়া অন্য কোনো কাজকে আমার কাজ বলে মনে হয় না। আর এ কারণেই কোথায় যেন থমকে আছে দেশটি।

বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ১০ লাখ সোলার ইউনিট স্থাপনার মাধ্যমে এই ক্ষেত্রে ব্যাপক অগ্রগতি করেছে। এতে ৬০ থেকে ৮০ লাখ লোক উপকৃত হচ্ছে। তারপর ডিজিটাল গল্প – আগামি প্রজন্ম ব্যবহার করবে 9G (9th Generation) ওয়াইফাই ইন্টারনেট, রোডে মানুষ বাসের জন্য অপেক্ষা করবে না, সবার নিজস্ব গাড়ি থাকবে, বাস থাকবে শুধু দুরের যাত্রায়।

” আমাদের অনেক সমস্যা থাকবে, সমাধান হবে, আসবে -”
এরপরও আমরা স্বপ্ন দেখি এক নতুন বাংলাদেশ – যেখানে আজকের তরুণ প্রজন্ম থেকে তৈরি হবে অগণিত বিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ, গণিতবিদ, পদার্থবিদ, প্রজুক্তিবিদ, রসায়নবিদ, চিত্রশিল্পী, রাজনিতিবিদ – যাঁরা সারা পৃথিবীতে আলোড়ন তুলবেন এবং বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবেন।

– কাজ করে যান। যারা হতাশায় আছেন, শুরু করুন, ভেঙে যাবে – আবার উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করুন-কিছু সাফল্য আসবে, পাবেন সম্ভাবনা।
দেখবেন আপনার সম্ভাবনা আপনার স্বপ্ন পুরুনের পথে নিয়ে যাবে।

“” Just watch dream, try to do it on your way. “”
Good Luck Bangladesh. Happy Victory Day.45-years-anniversary-victory-bangladesh