A Brand Name ||Official Url :: Software UI Designer| Contents Designer | OS | W€B | Server | Programming | Computing Technology ::

Bangladesh

26th March – Greatest Independence Day of Bangladesh


২৬শে মার্চ
বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস

স্বাধীনতা তুমি বাংলাদেশের শত তাজা প্রানের বিনিময়,
স্বাধীনতা তুমি লাল সবুজের বাংলাদেশের শত শহীদের রক্তে ভেজা ।

26th March – Greatest Independence Day of Bangladesh.

Advertisements

Nawab Sir Salimullah – Founder of Dhaka University


বর্তমান সময়ে তরুন প্রজন্ম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরেরে মহাপ্রয়ান দিবস, রবিন্দ্র জয়ন্তী পালন করে। বাংলাদেশে ঢাকা বিরোধী – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরেরে মহাপ্রয়ান দিবস, রবিন্দ্র জয়ন্তী এসব পালনে কোন মর্মার্থ নেই, আর যারা পালন করে তাঁদের অনেকেই ইতিহাস জানে না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্নদ্রষ্টা নবাব স্যার সলিমুল্লাহ, এই বঙ্গসন্তান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রূপকার। সেই নবাব স্যার সলিমুল্লাহকে আজকের শিক্ষার্থীদের অনেকেই চেনা-তো দূরের কথা নামটাও জানেনা। নবাব স্যার সলিমুল্লাহ’র গত ১৬ ই জানুয়ারী ছিল মৃত্যুবার্ষিকী।

কিন্তু এসব তরুন প্রজন্মের অনেকেই জানে না – যা সংগৃহীত অংশ থেকেই বলছি —
” তৎকালীন সময়ে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাঙালি বিদ্বেষ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় বিরোধীতার কথা কমবেশি সবারই জানা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় শুধু কঠোরভাবে বিরোধিতা করেই ক্ষান্ত হননি বরং তিনি ব্রিটিশদের সাথে রীতিমতো দেন-দরবার করেছিলেন যাতে ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় না করা হয়।
সেসময় রবীন্দ্রনাথ এক অনুষ্ঠানে দাম্ভিকতার সাথে বলেছিলেন “মূর্খের দেশে আবার কিসের বিশ্ববিদ্যালয়, তারাতো ঠিকমতো কথাই বলতে জানেনা ! ”
অন্যত্র এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের মানুষকে তীব্রভাবে কটাক্ষ করে রবী ঠাকুর বলেছিলেন ” সাত কোটি সন্তানের হে মুগ্ধ জননী, রেখেছো বাঙালী করে মানুষ করোনি “।
অথচ সেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন, মৃত্যুদিন, সাহিত্য উৎসবসহ আরো অনেক অায়োজন ধুমধামের সাথে পালন করা হয়।

নবাব স্যার সলিমুল্লাহ’র দান করা ৬০০ একর জমির উপর আজকের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল, বুয়েটের মতো দেশের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দাঁড়িয়ে আছে। অথচ তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে এইসব প্রতিষ্ঠানে কোন দোয়ার আয়োজন করা হয়নি। করা হয়নি কোনো স্মৃতিচারণামূলক অনুষ্ঠান।
নবাব সলিমুল্লাহর জন্ম ১৮৭১ সালের ৭ ই জুন। ছোটবেলা থেকেই ছিলেন অত্যন্ত ধর্মপ্রিয়। ফলে অভিজাত পরিবারের সন্তান হয়েও তিনি সাধারণ মানুষের কাছাকাছি অবস্থান করতেন। সাধারণ মানুষের দুঃখকে তিনি নিজের দুঃখ মনে করতেন। তিনি অকাতরে দান করতেন।
নবাব সলিমূল্লাহ, ১৯১১ সালের ২৯ আগস্ট ঢাকার কার্জন হলে ল্যান্সলট হেয়ারের বিদায় এবং চার্লস বেইলির যোগদান উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নওয়াব আলী চৌধুরীকে নিয়ে পৃথক দুটি মানপত্র নিয়ে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানান।
— নবাব সলিমূল্লাহ যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য ঢাকার রমনা এলাকায় নিজ জমি দান করেন, বাবার নামে আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল (বর্তমানে বুয়েট) প্রতিষ্ঠা করেন।

নবাব সলিমূল্লাহ, ১৯০৫ সালে বঙ্গদেশকে দুই ভাগে ভাগ করে, ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও আসাম নিয়ে ঢাকাকে রাজধানী করে পূর্ববঙ্গ গঠন করেন।

রহস্যজনক মৃত্যুঃ
ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহর পূর্ব পুরুষ ইংরেজদের দালালি করলেও নবাব সলিমুল্লাহ তিনি ছিলেন ব্যতিক্রম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে তৎকালীন হিন্দু সমাজ এবং লাটের সাথে তার বাদানুবাদ হয়। কথিত আছে যে, বড়লাট রাজি ছিলেন না ঢাকায় কোন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে। এই নিয়ে নবাবের সাথে বড় লাটের তীব্র বিতর্ক হয়। নবাব সবসময় একটা ছড়ি নিয়ে ঘুরতেন। যখন বড়লাট রাজী হচ্ছেন না ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে তখন নবাব রেগে গিয়ে ছড়ি দিয়ে বড়লাটের টেবিলে বাড়ি মারেন। বড়লাটের দিকে এগিয়ে আসেন। তখন বড়লাটের হুকুমে বড়লাটের হিন্দু দেহরক্ষী নবাবকে গুলি করেন। পরে প্রচার করা হয় যে তিনি হৃদক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যায়। ১৬ ই জানুয়ারী,  নবাব সলিমুল্লাহ মৃত্যু বার্ষিকী। অথচ, যার দান করা ৬০০ একর জমির উপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দাঁড়িয়ে আছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে তাকে স্মরণ করা হয়না। মানুষের এমন অকৃতজ্ঞতা দেখে নবাব হয়তো কবর থেকেই বিস্মিত হচ্ছেন। ঢাকার নবাব স্যার সলিমুল্লাহ আপনি আমাদের ক্ষমা করে দিন।
সংগৃহীত। ”

এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় না থাকলে আজকে কারা ভাষা এনে দিতো আমাদের? এই ঢাবি না থাকলে কারা স্বাধীনতাকে এনে দিতো? এই বুয়েট না থাকলে কারা বিশ্বমানের ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার সুযোগ করে দিত ?


Hidden History to Create Bangladesh


Sheikh Mujibur Rahman was not Rebel but we forced him to chosen go in that way. Pakistan didn’t treat good act with Bangladesh, and afterall separated them from Us. Pakistan ‘pushed Bangladesh into secession.
Even we didn’t carefully read the Justice Hamudur Rahman Commission reported, where had the real fruitful evidence about The Independence of Bangladesh.

The Commission reportedly recommended action against the then Pakistani generals for the 1971 War, but no action was taken and only parts of the report were declassified in 2000.

Bangladesh had original rule for creating today’s Pakistan.
— Nawaz Sharif, Ousted Prime Minister of Pakistan.

 

Reference:

  1. https://bdnews24.com/bangladesh/2018/01/10/pakistan-forced-bangladesh-into-secession-says-ousted-leader-nawaz-sharif

Google Traffic System


Google added traffic feature on the google map that displays real traffic status of all roads and highways.
Green indicates no traffic; orange, medium traffic; red, traffic delays; and dark red, traffic gridlock. Beside, in Bangladesh, people will get an opportunity to contact with über taxi service and other  taxi service from this google map new service.
Absolutely, this feature will help the people to understand the traffic condition in the different routes.

Device Dependent Generation of Bangladesh


Device Dependent Generation of Bangladesh


Legendary Bangla film Biggest actor Razzak


নীল আকাশের নীচে আমি রাস্তায় চলেছি একা…।

নীল আকাশের নায়ক, আমাদের নায়করাজ রাজ্জাক – আপনাকে আরও বেশ কিছু দিন প্রয়োজন ছিল।

Legendary Bangla film actor Razzak [ 1942 – 2017] passed away at a hospital in Dhaka. He was 76. Razzak, fondly called ‘Nayak Raj’, made tremendous contributions to Bangla cinema, and won the hearts of millions over the years. The National Award-winning actor has also earned fame as director. It must be said that Razzak earned the title “Nayak Raj” rightfully. The once struggling actor had, after all, succeeded in becoming a superstar, in fact, the very first superstar of Bangladeshi film industry. Razzak was born on January 23 in 1942 at Nagtola in Taliganj of Kolkata.

কিশোর আর শৈশবে এমনকি এখনো বাংলাদেশের চলচিত্র জগতের আইকন, কিংবদন্তি নায়করাজ রাজ্জাকের এমন কোন ছায়াছবি বাদ নেই যে দেখি নাই। ১৯৮৫ সনের পর আর ৯০ দশকের পর যখনই পত্রিকার পাতায় বা টিভিতে রিভিউ হতো নায়করাজের ছায়াছবি হবে, তখনই অপেক্ষা করতাম কখন আমার এই প্রিয় নায়কের মুভি দেখবো। এখনো দেখা হয় – সময় পেলে ইউটিউবে।

আমাদের বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের কিংবদন্তি নায়করাজ রাজ্জাক নিজেই ছিলেন চলচিত্র শিল্পের একটি ইন্ডাস্ট্রি।নায়করাজ রাজ্জাক ছিলেন বাংলাদেশের বাংলা চলচিত্রের এমন একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র যে বাংলাদেশের চলচিত্রকে এমন প্লাটফর্মে নিয়ে গিয়েছে – নায়করাজ রাজ্জাকের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে,তাঁর অবদান প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম স্মরণ করবে।বাংলাদেশের যারা বাংলা ছবি নিয়ে খারাপ মন্তব্য করে থাকে, তাদের উচিত – নায়করাজ রাজ্জাক স্যারের ছবিগুলো দেখা।

নায়করাজ রাজ্জাকের চির স্মরণীয় বানী —
” আমি রাজ্জাক হয়তো অন্য কোনো চাকরি করতাম অথবা ঘুরে বেড়াতাম।
জনপ্রিয় হওয়ার কথা চিন্তা করলে হবে না। আমি শুধু চেষ্টা করেছি । কঠোর অধ্যবসায় থাকতে হবে। ত্যাগ করতে শিখতে হবে। তাহলে একটা কিছু হতে পারে।”

” বীজমন্ত্র কিছু না। এই মাধ্যমটাকে (চলচ্চিত্র বা অভিনয়) আমি ভালোবাসি। আমার স্বপ্ন আর প্রেম ছিল অভিনয়কে ঘিরে। হ্যাঁ, সংসার ছিল আমার, সন্তান-সন্ততি ছিল। কিন্তু ওগুলো ছিল সেকেন্ডারি। প্রথমে ছিল অভিনয়। কীভাবে অভিনয়টা ঠিকঠাক করা যায়, এ নিয়েই ধ্যান-জ্ঞান ছিল। আর আমি টাকার পেছনে ঘুরিনি, টাকা আমার পেছনে ছুটেছে। এখন হয়ে গেছে উল্টো। অধিকাংশ মানুষই টাকার পেছনে ঘুরছে।”

— ” সবচেয়ে বড় কথা আমি সংযত থাকতে শিখেছি। কোথায় ছিলাম কোথায় এলাম, এই ভাবনা আমার মধ্যে সবসময় জাগ্রত ছিল। নিজের অবস্থান সম্পর্কে সচেতন থাকা সবার জন্যই জরুরি। আমার ব্যক্তিগত কিংবা অভিনয় জীবনে কোথাও কলঙ্ক লাগতে দেইনি। সবই সম্ভব হয়েছে আমার ভক্ত ও দর্শকদের সুবাদে। তাদের প্রতি আমি সবসময় কৃতজ্ঞ থেকেছি। তাদের ভালোবাসার সম্মান দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আমার লক্ষ্য ছিল চলচ্চিত্রের উন্নতি করা। অনেক যুদ্ধ করেছি আমরা। উর্দু ফিল্মের বিরুদ্ধে বাংলা ছবির সুদিন ফেরাতে অনেক চেষ্টা করতে হয়েছে। চলচ্চিত্রে এখন তেমন যোদ্ধা নাই যারা যুদ্ধ করে ভালো সিনেমা বানাবে।”

 

 

 

 

 

আমি ১৭ কোটি মানুষের হিরো _ The Daily Star Bangla


Language Movement Day Ekushey February and Bangladesh


একুশ একটি বাংলা শব্দ, একুশ একটি ইতিহাস,
একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষার পথ চলার প্রেরনা,
একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের বাঙালী জাতির চেতনা।
একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতির বেদনাদায়ক ইতিহাস, যেখানে সাক্ষী হয়ে আছে, থাকবে সালাম, রফিক, বরকত, জব্বার – সহ আরও নাম অজানা আর মায়ের বুক খালি করা ভাষা শহীদদের নাম।

আমি বাংলায় কথা বলি, আমি বাংলা ভাষাকে ভালোবাসি।
” আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি… ”

রাস্তায়,মহল্লায় একুশে ফেব্রুয়ারির নামে যে চাঁদাবাজি চলছে, তা নিজেদের উদ্যোগে বন্ধ করতে হবে, আর শহীদ মিনারের বেদিতে খালি পায়ে উঠতে হবে বিনম্র – শ্রদ্ধায়।

একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জন্য কোন আনন্দ উল্লাস করার দিবস নয়,
একুশে ফেব্রুয়ারিতে ভাষা শহীদদের কবরে ফুল দেয়া থেকে বেশি জরুরী বাংলাদেশের ভাষা শহীদদের জন্য জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করা আর বাংলা ভাষার নিয়মিত চর্চা।


Going the Wrong way the Primary Education System of Bangladesh


Country’s one famous popular newspaper recently published a claim about the primary level education books in Bangladesh. Many scholars of Bangladesh reported that there have lots of wrong, ugly and mistake words use in the primary and secondary level education books.

After all, if all of those claims are true, absolutely we can say that it’s a big question about the top level authority and staff of the NCTB – National Curriculum and Textbook Board. How they’re publishing these books for the new generation of the country.

A few years ago, there had a news that NCTB will publish all primary levels all books from Indian publisher. But why, there had lots of publisher printing press in our Bangladesh.

So, it has a big hidden politics with this primary level education book. And, a number of high level authority of the education board wants to destroy the primary and secondary level education system of Bangladesh.

ইংরেজি বছরের প্রথম দিনে বিনা মূল্যে সব শিক্ষার্থীর হাতে পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে সফলতা অবশ্যই প্রশংসনীয়। কিন্তু শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া পাঠ্যবইগুলো হচ্ছে ভুলে ভরা এবং নষ্ট রাজনীতির ভয়ানক বিস্তার ।

শিশুদের মগজে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে সাম্প্রদায়িক বিষ এবং তার বিস্তার ঘটানো হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রতিটি পর্যায়ে। প্রথমত বানান ও তথ্যগত বিকৃতি, দ্বিতীয়ত বাক্য গঠনে ভুল এবং মৌলবাদ ও তৃতীয়ত সাম্প্রদায়িক মনোবৃত্তির অনুপ্রবেশ ঘটানো। এক ও দুই নম্বর ভুলগুলো সঠিক পরিকল্পনা এবং সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার অভাবে হচ্ছে। কিন্তু তৃতীয় ভুলটি পরিকল্পিত।

যারা করছেন, তারা ইচ্ছাকৃতভাবেই একটি সাম্প্রদায়িক জাতিরাষ্ট্র গঠনের জন্য এই কাজটি করে চলছেন। আবার যারা এসব করছেন তারা সবসময় বলে আসছে – দেশের শিশুরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ, আলোকিত সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার কারিগর। সামনে অনেক আকর্ষণীয় কথা বলে আসবে, কিন্তু ভিতরে ভিতরে চলছে আগামী প্রজন্মকে একটা ভুল আর অন্ধকারে পথে চলার অপচেষ্টা।

এর পেছনে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির যে ভয়ানক বিস্তার রয়েছে, তা গত কয়েক বছর ধরেই স্পষ্ট। এ বছরের পাঠ্যপুস্তক সেই সাম্প্রদায়িক অপরাজনীতির সঙ্গে সরকারের আপসরফারই চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ।

The ruling Government has twisted school textbooks into a propaganda weapon store. It is a planned move done very carefully to turn the country communal, they alleged, claiming that the changes prove the government’s compromise with communal quarters.

http://www.thedailystar.net/frontpage/we-were-the-dark-1347436