RezwanAhmed & His Team || Software Engineer

Terrorism and safety awareness for female of Bangladesh

Recent Terrorism and safety awareness for female of Bangladesh during 2019.


We can clap that after illegal election, 100 days of this government session happening 397 rape by their people of AL. It’s the new era of development for Awami League, beside it’s a good turning point for the ruling Awami League supporters.

In Bangladesh the existing legal frame work that supports a rape victim is very limited and outdated. The definition of rape itself dates back to the national penal code formulated in 1860. So, this legal frmae work how can save the women from Sexual Harassment / Rape. 

Why switched off those AL beloved supported person, where is those smartest strong supporters of AL, who always make issue the Liberation war 1971 of Bangladesh. During this Awami League alliance ruling party of Bangladesh, in the independent country  Bangladesh no female is safe, everywhere our female facing gang rape, forcefully rape, terrorism. That’s very speechless and now the people of Bangladesh can understood that who is the criminal.

It’s very sadness session that in the muslim base country Bangladesh, some Hindu religion people create terrorism in the Bangladesh, beside this Hindu religion youth picked up Muslim female and rape the Muslim people. I don’t think in mind, how will get bravo the Hindu religion youth to do this harmful bad and illegal work in the Muslim country.

Another point that in our Bangladesh many teachers of Madrasa addicted into pornography. Exactly, our country many school and college fully overloaded with some culprit teachers. Also, our entire education sectors operated some Hindu terrorist. On this generation, our country’s many school and college teacher addicted into pornography site. Absolutely, It’s very easy to understand that country many teachers never give proper attention to study.

I’m sure that many school – college teachers addicted into pornography site. Govt. ministry totally failed to take actions against those addicted teachers.

This time of 2019, Awamileage ruling government had done many good tasks and handle thousand million dollars big big project. But, the ruling party cannot give safety to the the people of Bangladesh, failed to take action by applying legal Law on the rapist and terrorist.     

সরকারের ১০০ দিনেই ৩৯৭টা ধর্ষণ। নজিরবিহীন রেকর্ড করেছে আ:লীগ। উন্নয়নের আরেকটি উজ্জ্বল উদাহরন নাম।

এখন কথা হচ্ছে – কোথায় সেইসব সুশীল সমর্থকরা কোথায়, কেন চুপ করে আছে, যারা কথায় কথায় – মুক্তিযুদ্ধকে ইস্যু করে, আর নিরীহ মানুষদের হত্যা, মেয়েদের সম্ভ্রবহানি করছে, প্রকৃত পক্ষে কারা রাজাকার – তা জনগণ বুঝেছে।

স্বাধীন বাংলাদেশের তরুণীরা আজ কোথাও নিরাপদ নেই। বিশেষ করে বর্তমান ক্ষমতাসীনদের সময়ে আজকের তরুণীরা প্রতিদিনই তাঁদের সম্ভ্রব হারাচ্ছে।

আর একটি বিষয় লক্ষণীয় যে – বর্তমানে হিন্দু ধর্মের কিছু কুলাঙ্গার বাংলাদেশের মুসলিম ধর্মের মেয়েদের তুলে নিয়ে নির্যাতন করছে। এত বড় দুঃসাহস হয় কিভাবে – অবশ্যই ক্ষমতাসীনদের হিন্দু ধর্মের মানুষদের প্রতি অতি উদার হওয়ায় আজ এই অবস্থা বাংলাদেশের।

মানুষের মুনাফা লুট করে, নিরাপত্তা নেই, সড়ক দুর্ঘটনার নেই কোন ফাঁসি সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের, সাথে আবার ধর্ষণ লীগ জন্ম দিয়ে এরা করবে শান্তির দিবস, যেখানে প্রতিদিন সারাদেশে গড়ে ৬-৭ জন তরুণী তাঁদের সম্ভ্রব হারাচ্ছে। যখনই খবরের কাগজ দেখি – প্রতিদিনই তরুণীরা তাঁদের সম্ভ্রব হারাচ্ছে, আর তরুণদের খুন করা হচ্ছে ।

অচিরেই বলতে চাই – বর্তমান ক্ষমতাসীনরা যে সময়টুকু প্রধান বিরোধী দলের পেছনে ব্যয় করে, তার অর্ধেক সময়ও যদি দেশের সন্ত্রাস ও ধর্ষনকারীর পেছনে ব্যয় করতো, তাহলে দেশের সাধারন মানুষের উপকার হতো, জনপ্রিয়তা থাকতো, এখন হচ্ছে বিপরীত জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে।

********************

কোথায় আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা?

বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে শত শত লোকের উপস্থিতিতে স্ত্রীর সামনে শাহ নেয়াজ রিফাত শরীফ (২৫) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

অথচ, এই সব শত শত লোক যদি ২ জন সন্ত্রাসীকে ইট-লাঠি নিয়ে মার পিঠ করা শুরু করে দিতো, তাহলে বেঁচে যেতো। এই আওয়ামী আমলে প্রতিদিনই যে কত নারী – শিশু – কিশোরী ধর্ষণ এর মত অনেক বড় অপরাধ করে পার পেয়ে যাচ্ছে। তারপর আছে রেল লাইন ভেঙ্গে রেল দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু, কিন্তু একজন প্রতিবন্ধি বলছে – রেলের বগির যাত্রীদের চাপে রেল লাইন ভেঙ্গে পড়েছে।

… অবাক হতে হচ্ছে যত দিন যাচ্ছে – বাংলাদেশের জনগণের বোধ শক্তি, অধিকার আদায়ের শক্তি হারিয়ে যাচ্ছে।

***

আবার সাধারন শ্রেণী আর অবসর প্রাপ্তদের একমাত্র আয়ের পথ সঞ্চয়পত্রের উপর ১০% এর বেশি উৎস কর কেটে নিবে।

****

তারপরও হাজারে কিছু আবাল সব সময় নির্বোধের মত আওয়ামীদের সুনাম করে যায়, কিন্তু সমালোচনা করতে পারে না – এই ভাবে যে যদি সুবিধা কিছুটা কমে যায়। কিন্তু একদিন এসবের বিচার হবে, যেভাবে পাচ্ছে একসময়ের বিএনপি আর তাদের সাবেক প্রধানমন্ত্রি।

ইনশাল্লাহ, মানুষের বদ দোয়ায় আর চাপা ক্ষোভে ঐ রেল দুর্ঘটনার মত বর্তমান ক্ষমতাসীনরা ভেঙ্গে তছনছ হয়ে যাবে।

রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যাবহারের ফসল .

এই সমাজকে আওয়ামীলীগ ধ্বংস করে দিয়েছে। হানাহানি, মারামারি, কোপাকুপি, খুন-খারাবি আর ধর্ষণ থেকে শুরু করে এমন কোনো অপকর্ম নেই যা এই সমাজে ঘটছে না। সব চলছে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায়। ধিক্কার জানাই এমন আওয়ামীলীগের সরকার দরকার নেই।

আর কিভাবে জনগণের কিছু মানুষ এগিয়ে আসবে – কিছু হলেই তো ছাত্রলীগ পরে তাদের আওয়ামী গুন্ডা দিয়ে হামলা করবে-যারা রক্ষা করতে যাবে। আর এসবের জন্য দায়ী বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার আসামীদের শাস্তি আর মৃত্যুদণ্ড না দিয়ে অপরাধ করেছিল রাষ্ট্রের ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী আর তাদের পুতুল প্রেসিডেন্ট। আদালতে নিয়ে আর কারাগারে না পাঠিয়ে, এই খুনিদেরকে যত দ্রুত সম্ভব ক্রসফায়ারের আর চাপাতি দিয়ে মারা উচিত। সেই রকম উদ্যোগ নেয়ার জন্য আবেদন করছি ।

রাষ্ট্রের জন প্রতিনিধিরা তোষামোদকারী, অরথলিপ্সু, মিথ্যাচার, অধিক স্বজনপ্রীতি। তারপরও হাজারে কিছু আবাল সব সময় নির্বোধের মত আওয়ামীদের সুনাম করে যায়, কিন্তু সমালোচনা করতে পারে না – এই ভাবে যে যদি সুবিধা কিছুটা কমে যায়।

কিন্তু একদিন এসবের বিচার হবে। মানুষের বদ দোয়ায় আর চাপা ক্ষোভে ঐ রেল দুর্ঘটনার মত বর্তমান ক্ষমতাসীনরা ভেঙ্গে তছনছ হয়ে যাবে। আর উন্নয়ন চলমান প্রক্রিয়ার মত আগামিতেও চলতে থাকবে।

বাংলাদেশের পুলিশ হল হত্যা আর কোন অঘটন ঘটার পর নাটক করতে আসে। কিন্তু দেখা যাবে – যেখানে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তার কাছেই পুলিশ বক্স ছিল। দুঃখের বিষয় মোবাইল জাতির শতশত পথচারীর কেউ একজোট হয়ে এসব কুলাঙ্গারদের প্রতিহত করতে পারলো না।