RezwanAhmed & His Team || Software Engineer

Teaching System between Teachers and Students of VNS Bangladesh

Teaching System between Teachers and Students of VNS Bangladesh


আমাদের সময় মানে ৯০ দশকের কথা বলছি, তখনকার সময় স্কুল কলেজের শিক্ষকরাও কড়া আর কঠোর ছিল, তাই বলে অসুদাপায় অবলম্বন বা নকলের জন্য কখনো ভৎসনা, অপমান করা হতো না, শুধু বের করে দেয়া হতো।

আর প্রধান শিক্ষকের কাছে নকলের দায়ে নিয়ে গেলেও, প্রধান শিক্ষক বুঝিয়ে দিতেন যে হকল করে নম্বর বেশি পেলেও, পরবর্তী জীবনে কি এফেক্ট পড়বে। তাই বলে অপমান কিংবা খারাপ ব্যাবহার করা হতো না শিক্ষার্থীদের সাথে, ছাত্রছাত্রী আর তাঁর অভিভাবকের সাথে।

এটাও সত্য – এখনকার কমবয়সী ছেলে মেয়েরা একটু বেশি আবেগপ্রবণ। আমাদের সময়ে বৃত্তি পরীক্ষা, এস.এস.সি পরীক্ষার সময় নকল করে মেজিস্ট্রেটের কাছে ধরা পড়ে পায়ে ধরে কান্নাকাটি করেছে – এমনও দেখেছি। কিন্তু কেউ যদি তার অন্যায়কে সহ্য করতে না পেরে গিয়ে নিজের জীবনহানি ঘটায় তাহলে সেটা দুঃখের ব্যাপার হতে পারে ।

‘কতটা অপমানিত হলে একজন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করে?’
আমাদের দেশের নামধারী কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে, যেখানের শিক্ষকরা ভাবে শুধু কঠোর আর কঠিন হলেই শিক্ষার্থী ভালো রেজাল্ট আর ভালো হবে।

কিন্তু বাস্তবে তা নয়।
সময় এগিয়েছে, আমাদের দেশের শিক্ষকদেরও মানসিকতা আর নৈতিকবোধের পরিবর্তন করতে হবে। বাংলাদেশের শিক্ষকরা বাহিরের দেশের কথা প্রায়ই উদাহরণ দিয়ে থাকে, কিন্তু বাংলাদেশের এসব নামধারী স্কুল কলেজের কয়জন শিক্ষক – শিক্ষিকা আছে যে – বাহিরের দেশের মত করে ধৈর্য নিয়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা বিতরন করতে পেরছে।
” জাপানে এক ছাত্র নকল করায় শিক্ষক তার কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন এবং বলেছিলেন আমায় ক্ষমা করো তোমাকে সঠিক ভাবে শেখাইনি বলে, আমি অপরাধী। ”

বাবা-মা যেমন চোখের সামনে সন্তানের লাঞ্ছনা সইতে পারেন না, সন্তানের জন্যও তেমনই কঠিন বাবা-মায়ের অপমান ভুলে যাওয়া।
যে শিক্ষক বা প্রিন্সিপালের মধ্যে মানবিকতা নেই, যিনি শিশুর ভুল-ত্রুটিকে দারোগার চোখ দিয়ে দেখার বাতিকে আক্রান্ত, তাঁর কাছে ছেলেমেয়েদের শিখতে পাঠানো আর আখমাড়াইকলে আখ ঢোকানো সমান কথা। দ্য এডুকেটর শুড বি এডুকেটেড ফার্স্ট।

অবিলম্বে আইডিয়াল স্কুল আর ভিকারুননিসা নূন স্কুলে অ্যান্ড কলেজের মত অন্যান্য স্কুল, কলেজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

 

Advertisements