RezwanAhmed & His Team || Software Engineer

BLACKOUT Bangladesh | Major policy changes needed to stop power failures

BLACKOUT Bangladesh | Major policy changes needed to stop power failures


Improve planning and cut wasteful subsidies to increase funds to invest in improving power supplies and distribution. 

বিদ্যুত ছিল না সারা বাংলাদেশে।

মিডিয়া বলছে মন্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করে তেমন কিছু জানা যায় নি। আচ্ছা তিনি কি ইন্জিনিয়ার?

বাস্তবিক বিষয়টা সম্পূর্ণ বিদ্যুৎপ্রকৌশল সম্পর্কিত, এটা নিয়ে রাজনীতি করা উচিৎ না.

বিষয়টা হল: ইন্ডিয়া থেকে আগত লাইনটিতে কোন ফল্ট হওয়ার কারনে হটাত করে হাই ভোল্টেজ চলে আসে। নিয়ম অনুযায়ী কোন লাইনে হাই ভোল্টেজ চলে এলে বাকি অংশ ত্রুটি মুক্ত রাখার জন্য ব্রেকার ট্রিপ (অটো বন্ধ) হয়ে যায় অর্থাত কানেশন ডিসকানেক্ট করে দেয়। ফলে যেটা হল হটাত করে ন্যাশনাল গ্রিডে ৫০০ মেগাওয়াটের ঘাটতি পড়ে গেল।

এখন লোড বেশি উতপাদন কম। যার ফলে অবশিষ্ট জেনারটরের উপর লোড(চাপ) বেশি পড়ল। ফলে ফ্রিকুয়েন্সি কমতে থাকে। অন্যদিকে ফ্রিকুয়েন্সি একটা নির্দিস্ট লেভেলের নিচে নেমে গেলে ওটাও ট্রিপ হয়ে যায়। ফলে যে কয়টা পাওয়ার প্লান্ট বাকি থাকে সেগুলো লোড ডিমান্ড এবং ফ্রিকুয়েন্স ঠিক রাখতে গিয়ে ট্রিপ করে যায়। একে একে সব পাওয়ার প্লান্ট বন্ধ হয়ে যায়।

এই গুলো নিয়ন্ত্রন করে NLDC( National Load Despatch Centre)
নরমাল অবস্থায় এরকম ঘাটতি পড়লে লোড শেডিং দিয়ে লোড ব্যলান্স করা হয়। ফলে ব্যালান্স থাকে। কিন্তু আজকের বিষয়গুলো খুব দ্রুত ঘটায় লোড কমানোর সময়ই পাওয়া যায়নি যার ফলে সব জেনারেশন বন্ধ হয়ে যায়।

নরমাল একটা প্লান্ট বন্ধ হলে চালু করে গ্রিডে দিতে ৪-৫ ঘন্টা সময় লাগে। আর স্টিম হলে প্রায় ১০-১২ ঘন্টা লেগে যায়। আশা করি বিষয়টা এখন অনেকের কাছেই ক্লিয়ার হবে… শুধু শুধু এর মধ্যে রাজনীতি করতে আসবেন না, করা ঠিকও না। দীর্ঘ ৭ বছর পর বাংলাদেশে এমন বড় ঘটনা ঘটলো। না বুঝে যারা দেশের পাওয়ার সাপ্লাই ও বিদ্যুৎ সিস্টেম ও দেশকে নিয়ে লাগামহীন নিয়ে আবোল তাবোল যা বলছেন, তা বলাটা নিছক পাগলদের দলে থাকা বুঝায়।

বাস্তবিক বিষয়টা সম্পূর্ণ বিদ্যুৎপ্রকৌশল সম্পর্কিত |