RezwanAhmed & His Team || Software Engineer

নিরাপদ সড়ক আর আধুনিক বাংলাদেশ

Road Safety and Modern Bangladesh – নিরাপদ সড়ক আর আধুনিক বাংলাদেশ


২. It’s true that the Opposition party on the road, but a greatest young party came in-front for demand ” Save Life- Safe Road “.

I gave fully supported to their peaceful protests.

A student of American International University of Bangladesh – 
“If we withdraw our demonstrations, our demands will not be met,”

I think this will make headache for the Ruling party and their tiny supporters in Bangladesh. All Universities Students need to start strongly peaceful protests for safe road and ensure highest punishment to all reckless driver.

Where everywhere major reckless Bus drivers and helpers killed the student and unproperly stop and pickup the people. So, it’s time to take action and go ahead with big movement against all reckless Bus driver and bus helpers in Bangladesh.

যে ভাবে – সারা দেশে পরিকল্পিতভাবে ছাত্রদের ঘাতক চালক হত্যা করছে, এখন থেকে বাস চালক আর হেল্পারদের বিরুদ্ধে এক যোগে একশন শুরু করা উচিত ছাত্রদের, যাথে মালিক পক্ষের শুভ বুদ্ধির উদয় হয়।

মূলত এই রাষ্ট্রটা এখন একটা নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর। 
সময় সময় গোষ্ঠীটির পরিচয় বা আকার বদলায়, কিন্তু শেষ বিচারে রাষ্ট্রটা হয়ে গেছে একটা নির্ধারিত গোষ্ঠীর।

নিরাপদ সড়ক আন্দোলন – এটা প্রাণ বাঁচানোর আন্দোলন। দোকানে যাওয়ার পথে মারা পড়া, কাজে বা অফিসের পথে নেমে ফিরে না আসা, পড়াশোনার জন্য স্কুল-কলেজে পৌঁছাতে না পেরে লাশ হয়ে ঘরে ফেরা |

এই চাওয়া দেশের প্রত্যেক মানুষের। মানুষ মরছে সারা দেশে।
রাষ্ট্র যখন একটা নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর ক্ষমতা, স্বার্থ ও হালুয়া-রুটির প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়, তখন সেই রাষ্ট্র সত্যিকার অর্থে জনগণের জন্য কাজ করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। আর, তাই বাংলাদেশের অবস্থা এখন হয়েছে এমনই – রাষ্ট্রের অবহেলা, দায়িত্বহীনতা এবং অনেক ক্ষেত্রে সরাসরি সহযোগিতায় এসব প্রাণহানি থেকে যাচ্ছে হিসাবের বাইরে।

৩. কিছু মাথা মোটা লোকদের জন্য আজকের বাংলাদেশে যাচ্ছে তাজা তরুণদের প্রান। অচিরেই এইসব লোকের গায়ের পোশাক – পায়জামা খুলে বাসের নীচে দিয়ে দেয়া হোক। তাহলে বুঝবে কোন মায়ের কোল খালি করলে কেমন লাগে। অথচ, আবরার কিন্তু জেব্রা ক্রসিং দিয়েই পার হচ্ছে, উপরন্তু বাংলাদেশের বাস পরিবহন চালকরা আইন অমান্য করেই যাচ্ছে, এসব বাস চালকদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা উচিত।

এসব দুর্ঘটনার দায়ভার – পথচারী – ড্রাইভার এর পাশাপাশি পুলিশ সার্জেন্ট এর বেশি। একটা গাড়িও দাঁড়ায় তে দেয় না। বাস স্টপেজ ও জেব্রা ক্রসিং এর জায়গায়। দাঁড় করালে পুলিশ মামলা দেয়। তাই বাধ্য হয়ে তাড়াহুড়া করে বাস চালায় ।

ট্রাফিক শৃঙ্খলা সপ্তাহ চলছে, অথছ, কিছু বাইক আর সিএনজি ধরা ছাড়া আর বাসের বিষয় কঠোর একশন নেয়ার মত কিছুই করছে না।

আর তাই বাসের মালিক আর ড্রাইভারদের বিষয় কঠোর একশন, সাথে হত্যাকারী বাস মালিক আর ড্রাইভারদের ফাঁসি কার্যকর করা না পর্যন্ত সড়কে আন্দোলন চালিয়ে নিতে হবে।

সরকার কতটা অসহায় এসব বাস পরিবহনদের বিরুদ্ধে একশন নেয়ার মত সাহস নাই। পারে শুধু জনগণের বিরুদ্ধে একশন নিতে, সময় সময় গ্যাসের দাম বাড়িয়ে ভারতের পা চাঁটতে।

তাহলে এসব হচ্ছে – গাজীপুর মহানগরের গাজীপুরা থেকে ঢাকার সদরঘাট পর্যন্ত চলাচলকারী গাজীপুরের ‘ সুপ্রভাত স্পেশাল বাস সার্ভিস ‘ পরিবহনের বাসের রঙ বদলে এখন ‘সম্রাট ট্রান্সলাইন (প্রাইভেট) লিমিটেড’ নামকরণ করা হচ্ছে।

২০ মার্চ ২০১৯ বিআরটিএ এর উপপরিচালক (ইঞ্জিনিয়ার) শফিকুজ্জামান ভূঞা স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ তথ্য জানানো হয় যে” ২০ মার্চ ২০১৯ বুধবার থেকে রাজধানীতে ঢাকা মহানগরীর (রুট নং এ-১৩৮) উত্তরা রানীগঞ্জ হতে সদরঘাটে চলাচলরত সুপ্রভাত প্রাঃ লিঃ এর সকল বাস ও মিনিবাস এবং ঢাকা মহানগরীর (রুট নং এ-১৮৪) বসিলা হতে আব্দুল্লাহপুরে চলাচলরত জাবালে নুর পরিবহন লিঃ এর সকল বাস ও মিনিবাস চলাচল বন্ধ ঘোষনা করেছে বিআরটিএ। পরবর্তী আদেশ না দেয়া পর্যন্ত সুপ্রভাত ও জাবালে নুর পরিবহনের সকল বাস ও মিনিবাস চলাচল বন্ধ থাকবে। “

কিন্তু পরবর্তী আদেশ আর এসব বাস মালিকরা মানবে না, কারন তাদের বিরুদ্ধে একশন নেই বাস্তবে।

৪. একটি বাংলাদেশ যখন পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীর সাথে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ করে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন করে আগামীর প্রতিটা শিশু থেকে তরুন- তরুণী যেন তাঁদের মৌলিক অধিকার নিয়ে শান্তিতে বাস করতে পারে, একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ জীবন পায়। আর এই বাংলাদেশ রাষ্ট্র গঠনে বাংলাদেশের প্রতিটা মানুষের অবদান আছে, একমাত্র জামায়াত নামের সাচ্চা রাজাকার দলটি বাদে।

কিন্তু, যে জন্য বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হয়েছে, সেই রাষ্ট্রের মানুষকে কিছু দলকানা ব্যক্তি রাষ্ট্রকে আর রাষ্ট্রের সাধারন মানুষ, ছাত্র জনতাকে ২টি দলে ভাগ করে ফেলেছে। কিন্তু, আক্ষরিক অর্থে একটি দলকে সমর্থন না দিলেই যে রাষ্ট্রের ছাত্র জনতা, জনগণকে কখনো রাষ্ট্র বিরোধী, বা স্বাধীনতাবিরোধী বলা যায় না। আবার জনগণ তথা ছাত্রসমাজ যখন রাষ্ট্রের কাছে তাঁদের মৌলিক অধিকার নিয়ে ভালোভাবে বাঁচতে চাওয়ার জন্য সোচ্চার হয়ে আন্দোলন করলেই রাজাকার, দেশদ্রোহী বলা যায় না।

সমস্যা এখানে, একটি বিশেষ দল রাষ্ট্রের মানুষ যখন মৌলিক অধিকারের জন্য রাস্তায় নেমে তাঁদের সামান্য দাবি প্রকাশ করছে, সেই সাধারন ছাত্রসমাজের উপর তারা হামলা করে, নির্মমভাবে আঘাত করে, আর শেষে বিএনপি, জামাত, শিবিরের মুখপাত্র বানিয়ে প্রচার করেছে। কিন্তু এই সাধারন ছাত্র সমাজ, নির্বিশেষে জনগণ চেয়েছে – “ নিরাপদ সড়ক ”, সড়কে হত্যার বদলে সাধারন মৃত্যুর গ্যারান্টি।

চায় নাই – সরকারের পদত্যাগ দাবী করেনি! স্বর্ন তামা হওয়া নিয়ে কথা বলেনি! প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা নিয়েও কথা বলে নাই, ১লক্ষ ৪০ টন কয়লা গায়েবের হিসাব চায়নি! কোঁটা সংস্করণ চায় নাই, বাস ভাড়া কমানোর দাবি করেনি! বাংলাদেশ থেকে ৭৬ লক্ষ কোটি টাকা কোথায় পাচার হয়েছে সেই প্রশ্ন করিনি!

সাধারন ছাত্র সমাজ, নির্বিশেষে জনগণ চেয়েছে – “ নিরাপদ সড়ক ”, একটি সুন্দর রাষ্ট্র, ভালোভাবে বেঁচে থাকার অধিকার।

আর তাই বলব – দলকানা না হয়ে দেশকানা হয়ে উঠুন।

একজন শেখ মুজিবুর রহমান না থাকলে, আজ এই বাংলাদেশ রাষ্ট্র গঠন হতো না, আর পৃথিবীর মানচিত্রে আত্মপ্রকাশ হয়তো হতো না।

নেতা হওয়া ছারটিখানি কথা নয়, কারন তার মত আদর্শ নেতাই অনেক ত্যাগ আর নিপীড়নের মাঝে এদেশের মানুষকে স্বপ্ন দেখিয়েছিল একটি বাংলা রাষ্ট্র গঠনে, যেখানে একটি স্বাধীন জাতি হিসাবে, পরিশেষে সব শ্রেণীর বাঙালিরা স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশ করতে পারে। আর সেজন্য, সব মানুষকে এক কাতারে নিয়ে এসে জাগ্রত করে, সঠিকভাবে নির্দেশনা দিয়ে যায়, কিভাবে স্বাধীনতা অর্জন করতে হয়, একটি সুন্দর রাষ্ট্র গঠন করা যায়।

 

Advertisements