RezwanAhmed & His Team || Software Engineer

ArT of My Voices ArTICLEs ::

Life is going ups and down. But never loose your hope…!!!


Life is going ups and down. But never loose your hope…!!!

The 4th July 2019, Thursday a saddest and worst day in my life that on that day of the week IHL office Administration section call me and informing that they cannot bear many employers monthly salary. I’m listed person among of that forceful resign employers. Administration section told me that ” Rezwan we cannot survive many employers salary because no more sale at right now. How can make salary. So, you please don’t come in the upcoming time. ”

It’s a biggest problem that in our Bangladesh when young male candidate appointed into a company, then after a certain time when times come for increment of the Salary, then many holdings and group of company smoothly cut their employer. But, these holdings and many reputed group of company never understand that technical person gave hardship and uncountable help to increase their business.

When people fall into rough time in life, they he or she can introduce with new experiences. On that rough time, people can understand that who is really good friend in the life. Beside, introducing with bad person. In the rough time, always try to give hardship to develop the lack of knowledge, gave deep concentration into education, beside read more books.

After all, thanks to my creator Allaah that Allaah manage a good job in my bad situation. I’m very happy that that job my bearing designation is IT Manager. There have a oldest opinion that ‘ if your one side close, then another side will be open….and Allaah always manage that.


greediness or temptation is so much


The news so old that already many people get to know. The greediness or temptation is so much bad that anyone can fall into cruel and rough situation in any place.

In Bangladesh has lots of jobs, but you must try to searching continue. Education sector in Bangladesh is not world class, but education of Bangladesh can adjustable with the World.

If anyone wants to go abroad for study that’s good and perfect decision. But, it’s a questionnaire that majority person never change their fate through going to abroad by invest lots of money. Many people in Bangladesh always thought that if anyway go to abroad, then he or she should be change their lifestyle, earn huge money. That’s totally wrong.

Lost money, Lost life, Damage a family.

Better, try to invest that money into motherland, or invest into other side, or save money into Bank, and rest hardly try to find out the work into country.


টাকা থাকলে, উচ্চ শিক্ষার জন্য বাহিরের দেশে যাওয়াটা ভালো, অভিজ্ঞতা, শিক্ষা ২ই অর্জন করা সম্ভব হয়।

কিন্তু, বেশি আয়ের পথ হিসেবে বাহিরের দেশে যাওয়াটা অবাস্তব, বোকামির চিন্তা-ভাবনা। বেশি আয়ের পথ হিসেবে বাহিরের দেশে যাওয়ার স্বপ্ন না দেখে, দেশেই বসে কিছু করার চেষ্টা সবারই করা উচিত। যে পরিমাণ টাকা বাহিরের দেশে যেতে খরচ করতে হয়, তার থেকে ভালো, সেই টাকা দিয়ে নিজের দেশে কিছু করা উচিত।

বাহিরের দেশ কখনো টাকা উপার্জনের পথ নয়, পরিবারের শান্তি-ও আনতে পারে না।

ব্যাংকে কর্মরত তারপর, অনেক টাকা চাই। জীবনে ভালোভাবে চলতে খুব বেশী টাকা লাগে না। এত লোভী মানুষ যে বেশী লোভে এমন করূন মৃত্যু ।

 


Always try to maintain and followup your Religion tasks


Always try to maintain and followup your Religion tasks.

Pray your Namaz…Believe in Your Creator.
Aa a Muslim, always try to pray your Namaz and submit your all voice & opinion to your Creator / Allaah.
He’ll remove your all pain and give more.. that should be unbelievable.


Holy Ashura and the Respected Death of Imam Husayn


10th Muharram is the very Important Historic day in the Muslim World. In Quran say that on this Arabic first month 10th Muharram day Allah created this world, and will destroy the Earth. Allaah accepted all dua requested of the Muslim.

Many things happened and will be happening on this 10th Muharram.

So, every Muslim always try to pray to their creator Allah more and more on this 10th Muhraam, Arabic 1st month.

The events of Karbala reflect the collision of the good versus the evil, the virtuous versus the wicked, and the collision of Imam Husayn (the head of virtue) versus Yazid (the head of impiety). Al-Husayn was a revolutionary person, a righteous man, the religious authority, the Imam of Muslim Ummah.

Finally, the day of Ashuraa dawned upon the soil of Karbala. It was the day when Jihad would be in full bloom, blood would be shed, 72 innocent lives would be sacrificed, and a decisive battle would be won to save Islam and the Ummah.

Lessons from the Tragedy of Karbala

Karbala is the cruelest tragedy humanity has ever seen. Yet, the startling (though appalling) events in Karbala proved like a powerful volcano that shook the very foundation of Muslims, it stirred their consciousness, ignorant or learned alike. For sincere Muslims, Karbala turned into a triumph. The tragic event became the very beacon of light to always remind Muslims to practice Islam honestly and sincerely, to do what is right irrespective of consequences, and fear no one except Allah (swt).

On the other hand, Yazid never achieved what he and his father had planned to achieve, for within three years, Allah’s wrath fell upon him, causing him to die at the age of 33 years. And within a few decades the rule of Bani Umayya crumbled and came to an end.

The tragedy of Karbala taught humanity a lesson that standing for the truth and fighting unto death for it is more honorable and valuable than submitting to the wrongful, especially when the survival of Islam is at stake.


জীবনে সফল হতে আজ থেকেই মেনে চলুন পবিত্র কোরআনের চার পরাম’র্শ


জীবনে সফল হতে আজ থেকেই মেনে চলুন পবিত্র কোরআনের চার পরাম’র্শ

জীবনে সফল হতে চান – সফল হতে পরিকল্পনামাফিক আম’রা অনেক কাজই করে থাকি। সাফল্যের পেছনে ছুটোছুটি করি। সফল হতে গেলে মাত্র চারটি বিষয়ে মনোযোগী হতে হয়। এই চারটি বিষয় আয়ত্ত করতে পারলে যেকোনো মানুষই সাধারণ থেকে অসাধারণ হয়ে উঠতে পারে – ইহকালে এবং পরকালেও। সূরা ‘আসরের দ্বিতীয় আর তৃতীয় আয়াতে আল্লাহ তাআলা এই চারটি বিষয় আমাদের বলে দিয়েছেন। তাহলে জেনে নেওয়া যাক সেই চারটি বিষয়:

১. বিশ্বা’স রাখু’ন: “ঈ’মান” শব্দের অর্থ হলো বিশ্বা’স। মৃ’ত্যু পরবর্তী জীবনে সফলতা চাইলে এক আল্লাহ তাআলা, তাঁর রাসূল (সা.) এবং রাসূল (সা.) এর উপর যা অবতীর্ণ হয়েছে তাতে বিশ্বা’স রাখতে হবে। আর এই জীবনে সাফল্য অর্জন করতে হলে আমাদের বিশ্বা’স রাখতে হবে – “আমি পারবই ইনশা’ আল্লাহ”। হাল ছেড়ে দিলে চলবে না।উচ্চারণ: ওয়াল ‘আসর ইন্নাল ইনসা-না লাফিই খুসর। ইল্লাল্লাযিনা আ-মানু… (সূরা ‘আসর ১-২) অর্থ: সময়ের শপথ, নিশ্চয়ই মানুষ চরম ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত। তারা ছাড়া, যারা ঈ’মান এনেছে…

২. যা করা দরকার তা করে যান: অনেক সময় আমাদের এমন হয় যে – নামায পড়তে ইচ্ছা করে না, যিকর করতে মন চায় না, কোরআন মজিদ পড়ারও আগ্রহ পাওয়া যায় না – তবু যেহেতু আল্লাহ তাআলা ও তাঁর রাসূল (সা.) এই আমলগুলো আমাদের করতে বলেছেন – তাই এগুলো করে যেতে হবে।একইভাবে, দুনিয়াতে সাফল্য লাভের জন্যও কিছু রুটিন ওয়ার্ক আছে, সেগু’লি আমাদের করে যেতে হবে। যেদিন ভালো লাগবে সেদিনও একজন ছাত্রকে পড়তে বসতে হবে, যেদিন ভালো লাগবে না সেদিনও তাকে পড়তে বসতে হবে; একজন চাকুরিজীবীর যেদিন কাজে মন বসবে সেদিন অফিসের কাজ করতে হবে। আবার কাজে মনোযোগ না বসলেও জো’র করে অফিসের কাজ করে যেতে হবে। যা করা উচিত তা করতে থাকতে হবে, আজ বা আগামীকাল এর ফল চোখে না দেখা গেলেও, পরশু এর ফল ঠিকই পাওয়া যাবে। وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ উচ্চারণ: ওয়া ‘আমিলুস স্বয়ালিহ্বা-তি… (সূরা ‘আসর ৩) অর্থ: যারা ভালো কাজ করে

৩. নতুন কিছু শিখু’ন: আল্লাহ তাআলা কোরআন মাজিদের সূরা ফাতির-এর ২৮ নং আয়াতে বলেছেন- إِنَّمَا يَخْشَى اللَّهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاء إِنَّ اللَّهَ عَزِيزٌ غَفُورٌ “আল্লাহ তাআলার বান্দাদের মধ্যে শুধু তারাই তাঁকে ভয় করে যাদের জ্ঞান আছে”। ইস’লাম স’ম্পর্কে আপনি যত জানবেন ততই প্রাত্যহিক ইবাদতগুলো আপনার কাছে ধীরে ধীরে গভীর অর্থবহ হয়ে উঠবে। নামায-রোযাকে আপনার কাছে কেবল রুটিন ওয়ার্ক কোনো ব্যাপার বলে মনে হবে না, বরং তখন আপনি এই ইবাদতগুলোর মাঝে ঈ’মানের সুমিষ্ট স্বাদ আস্বাদন করতে থাকবেন। পার্থিব জীবনেও সেই ব্যক্তি তত সফল, যে অন্য মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশী অবদান রাখতে পারে। আর অন্যের উপকারে আসতে চাইলে, আগে নিজের উন্নয়ন করতে হবে। ভালো কথা অন্যকে বলতে হলে আগে নিজেকে ভালো কথা শিখতে হবে। وَتَوَاصَوْا بِالْحَقِّ উচ্চারণ: ওয়াতা ওয়া- সাওবিল হাক্কি… (সূরা ‘আসর ৩) অর্থ: একে অ’পরকে সঠিক উপদেশ দেয়

৪. মানুষের উপকারে আসো: নবী হওয়ারও আগে হযরত মুহাম্ম’দ (সা.) ছিলেন ম’ক্কার সবচেয়ে বিশ্বস্ত আর পরোপকারী মানুষ। রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁর সমস্ত জীবন ব্যয় করেছেন অন্য মানুষদের ভাগ্য উন্নয়নে। যত অল্প টাকাই হোক না কেন আম’রাও তা দিয়েই মানুষকে সাহায্য করব, যত অল্প শ্রমই হোক না কেন তা দিয়ে মানুষের উপকার করব। যত অল্পই শিখি না কেন, তা অন্যদের সাথে শেয়ার করব। পরিবার, বন্ধু, প্রতিবেশীসহ সব মানুষকে উপকারের চেষ্টা করব। কারো কাছ থেকে প্রতিদান চাইবো না, প্রতিদান চাইবো শুধুই আল্লাহর কাছে।

মানুষকে উপকার করার এই পথ মধুর না, বন্ধুর। অনেক সমালোচনা-গালমন্দ শুনব, অনেক অকৃতজ্ঞ মানুষের দেখা পাবো, অনেক সময় আর্থিক বা সামাজিক সংকটে পর্যন্ত পড়ে যেতে পারি – তবু ধৈর্য্য ধরব। যত অল্পই হোক না কেন, নিজের সাম’র্থ্য অনুযায়ী বিলিয়ে দেবো। হযরত মুহাম্ম’দ (সা.) বলেছেন, খেজুরের অর্ধেকটা দান করে হলেও নিজেকে জাহান্নামের আ’গুন থেকে বাঁ’চাও (বুখারী)। وَتَوَاصَوْا بِالصَّبْرِ উচ্চারণ: ওয়াতা ওয়া- সাওবিস সবর। (সূরা আসর-৩) অর্থ: একে অ’পরকে ধৈর্য্যের উপদেশ দেয়।

দ্বিতীয়-তৃতীয় আয়াতে বর্ণিত এই চারটি কাজ যদি আম’রা না করি তাহলে আম’রা মা’রাত্মক ক্ষতির মধ্যে ডুবে যাবো। এই ক্ষতির ভয়াবহতা যে কতটা চরম তা বুঝাতে আল্লাহ তাআলা এই কাজগুলোর উপর চারভাবে গুরুত্ব আরোপ করেছেন। এক. প্রথম আয়াতে আল্লাহ তাআলা সময়ের কসম নিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা কোন কিছু কসম নেয়ার অর্থ হচ্ছে তার পরের কথাটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। দুই. আল্লাহ তাআলা “ইন্না” দিয়ে বাক্য শুরু করে গুরুত্ব আরোপ করেছেন। “ইন্না” শব্দের অর্থ হলো “নিশ্চয়ই”।

তিন. আল্লাহ তাআলা “ইন্নাল ইনসানা ফী খুসর” (নিশ্চয়ই মানুষ ক্ষতির মধ্যে আছে), না বলে “ফী” এর আগে “লা” যুক্ত করেছেন। এই “লা” এর অর্থ হলো “অবশ্যই”। সুতরাং আল্লাহ তাআলা যখন বললেন “ইন্নাল ইনসানা লাফী খুসর”, এর অর্থ দাঁড়ায় “নিশ্চয়ই অবশ্যই মানুষ ক্ষতির মধ্যে আছে”। চার. আল্লাহ তাআলা তৃতীয় বাক্য শুরু করলেন “ইল্লা” (“শুধু তারা বাদে” বা Except) দিয়ে। ইল্লা দিয়ে কোন বাক্য শুরু করা হলে সেটা পূর্ববর্তী বাক্যের গুরুত্ব বাড়িয়ে দেয়। যেমন – কোন ক্লাসের ১০০ জন ছাত্রের মধ্যে যদি ৯৫ জন ফেইল করে তাহলে টিচার বলবেন

“এই ক্লাসের ছাত্ররা ফেল করেছে, শুধু কয়েকজন বাদে”, অর্থাৎ ফেল করাটাই যেন স্বাভাবিক ঘটনা, পাশ করাটা হলো ব্যতিক্রম। একইভাবে, আল্লাহও তাআলা বলতে চাইছেন যে, অধিকাংশ মানুষই ক্ষতির মধ্যে রয়েছে, শুধু গুটিকয় আছে যারা সঠিক পথে আছে। আমাদের অফিসের কোন বিশ্বস্ত কলিগ যদি এক বা দুইবার নয়, চার চারবার ফোন করে বলে – “বন্ধু, মহাখালীর রাস্তায় এক্সিডেন্ট হয়েছে, বিরাট জ্যাম, ভুলেও ঐ পথে যেও না, ঘুরে যাও” – তাহলে আম’রা বাসায় ফিরতে নিশ্চিত মহাখালীর রাস্তা নিব না।

আর, আমাদের পালনক’র্তা প্রভু যখন আমাদের একই আয়াতে চারবার সতর্ক করে কোন কিছু করতে আদেশ করেন তখন আম’রা কত অনায়াসে সেই আদেশ অমান্য করে দিনাতিপাত করতে থাকি! ই’মাম শাফেঈ’ রহ. বলেছেন – লোকে যদি শুধু এই সূরা (সূরা ‘আসর) নিয়ে চিন্তা করত, সেটাই তাদের জন্য যথেষ্ট হত।


Rohingya Crisis and People of India make problem in Bangladesh


বিগত ১০ – ১২ বছর আগেও বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির মত এতটা খারাপ ছিল না। একটা দল যারা সবসময় মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ফেনা তুলে নিজেদেরই কৃতিত্বের গল্প বলে বেড়ায়। তারপরও আমরা তাঁদের পছন্দ করি।
অথচ, বর্তমান সময়ে সবচেয়ে আলোচিত রোহিঙ্গা বিষয়ে সেই দলের নেতারা তাঁরা এতটা অসহায় যে রোহিঙ্গাদের বিষয় কঠোর ভাবে কথা বলতে পারছে না অতিরিক্ত ভারত-প্রীতির জন্য, আবার কঠোর হতেও ভয় পায় মিয়ানমারের মত একটা দেশের বিরুদ্ধে।
এখন আবার আসাম রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশের উপর ঝড় আনার চেষ্টা হচ্ছে ।

ঘৃণা করতে হচ্ছে এদের। আসলেই কি তাঁরা সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধা ছিল – যে বাংলাদেশের আজকের এমন অবস্থা দেখতে হচ্ছে।
** অথচ, অতীতে রোহিঙ্গা বিষয়ে অন্য বিগত সময়ের সরকার এতটাই কঠোর ছিল – মিয়ানমার ঝামেলা করতে পারে নাই, ভারতেরও কিছু করার সাহস করতো না।

*** সবচেয়ে অবাক বিষয় – বর্তমানে বাংলাদেশের সাধারন জনগণ আর বিরোধী দলকে দমন করতে তাঁরা যতটা কঠিন হয়, মিয়ানমার আর ভারতের বিষয়ে তাঁরা ততটাই ভয় পায়।

অথচ, ভারতের শত শত নাগরিক ট্যাক্স ফাকি দিয়ে বাংলাদেশে চাকুরী করছে, সহজ শর্তে বাণিজ্য করছে। সেখানে স্বাধীন বাংলাদেশের কোন নাগরিক বাণিজ্য করতে চাইলে বিভিন্ন শর্ত দিয়ে দেয় আর চাকুরীতে যারা উচ্চ পদে আছে, তাদের বিভিন্ন জবাবদিহির মাঝে রাখছে।

আজকের বাংলাদেশে, লাখ লাখ তরুনদের চাকুরী নেই।

যার বাবার আর্থিক অবস্থা ভালো, তারাই অল্প পুজিতে বাণিজ্য করে চলছে।
এসবের অবসান হবে যখন সাধারন মানুষের দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাবে।


Always Try to keep far away all Baby during the Moments of Slaughter the Animal


বিষয়টি খুবই দুঃখজনক যে গরু কোরবানির সময় কসাইয়ের হাত থাকা চাপাতি ছুটে গিয়ে মেয়েটির পেটে ঢুকে মৃত্যু হয়।

প্রত্যেক বাবা- মা, পরিজনদের উচিত -মুরগি জবাই থেকে শুরু করে কোরবানির পশুর জবাই দেয়ার মত এসব কাজে শিশুদের দূরে রাখতে হবে, সতর্ক থাকতে হবে। সম্ভব হলে বাড়িতে অন্য কাজে ব্যস্ত রাখতে হবে।

** এজন্য মুরুব্বীরা বলতেন – যখন পশুকে জবাই দেয়া হয়, অথবা যখন কোন কেউ কিছু কাটতে থাকে, তখন শিশু বা তরুন যেই থাকবেন, কিছুটা দুরত্ব রেখে থাকতে হবে। অবাক হওয়া বিষয়টা যখন পশুকে জবাই দেয়া হচ্ছে, বা মাংশ কাটা হচ্ছে কোন মুরুব্বী বা শিশুটির পরিবারের কেউ কি শিশুটিকে দূরে রাখে নাই কেন।

আর একটা বিষয় লক্ষণীয় – বর্তমান সময়ে অনেকেই শিশুদের কোরবানির পশুর জবাইয়ের দৃশ্য দেখাতে খুবই উৎসুক, এমন কি অনেক বাবা – মা ই আছেন শিশুদের কোরবানির পশুর জবাইয়ের দৃশ্য দেখিয়ে থাকেন।

কিন্তু এসব একজন শিশুর মনস্তাত্ত্বিক বিকাশে বাধা করে, আর ভয় কাজ করে মনের অজান্তে।

অনেক সময় দেখা যায় – শিশু রাতে ঠিকমত ঘুমাতে পারে না, এমনকি একলা থাকতে ভয় পায়।


Eid Mubarak to All Happy Eid Ul Azha 2019


Eid Mubarak.

May Allaah Granted Enjoying Eid UL Azha
by Sacrificing Your best Things.