RezwanAhmed & His Team || Software Engineer

ArT of My Voices ArTICLEs ::

Terrorism and safety awareness for female of Bangladesh.


We can clap that after illegal election, 100 days of this government session happening 397 rape by their people of AL. It’s the new era of development for Awami League, beside it’s a good turning point for the ruling Awami League supporters.

In Bangladesh the existing legal frame work that supports a rape victim is very limited and outdated. The definition of rape itself dates back to the national penal code formulated in 1860. So, this legal frmae work how can save the women from Sexual Harassment / Rape. 

Why switched off those AL beloved supported person, where is those smartest strong supporters of AL, who always make issue the Liberation war 1971 of Bangladesh. During this Awami League alliance ruling party of Bangladesh, in the independent country  Bangladesh no female is safe, everywhere our female facing gang rape, forcefully rape, terrorism. That’s very speechless and now the people of Bangladesh can understood that who is the criminal.

It’s very sadness session that in the muslim base country Bangladesh, some Hindu religion people create terrorism in the Bangladesh, beside this Hindu religion youth picked up Muslim female and rape the Muslim people. I don’t think in mind, how will get bravo the Hindu religion youth to do this harmful bad and illegal work in the Muslim country.

Another point that in our Bangladesh many teachers of Madrasa addicted into pornography. Exactly, our country many school and college fully overloaded with some culprit teachers. Also, our entire education sectors operated some Hindu terrorist. On this generation, our country’s many school and college teacher addicted into pornography site. Absolutely, It’s very easy to understand that country many teachers never give proper attention to study.

I’m sure that many school – college teachers addicted into pornography site. Govt. ministry totally failed to take actions against those addicted teachers.

This time of 2019, Awamileage ruling government had done many good tasks and handle thousand million dollars big big project. But, the ruling party cannot give safety to the the people of Bangladesh, failed to take action by applying legal Law on the rapist and terrorist.     

সরকারের ১০০ দিনেই ৩৯৭টা ধর্ষণ। নজিরবিহীন রেকর্ড করেছে আ:লীগ। উন্নয়নের আরেকটি উজ্জ্বল উদাহরন নাম।

এখন কথা হচ্ছে – কোথায় সেইসব সুশীল সমর্থকরা কোথায়, কেন চুপ করে আছে, যারা কথায় কথায় – মুক্তিযুদ্ধকে ইস্যু করে, আর নিরীহ মানুষদের হত্যা, মেয়েদের সম্ভ্রবহানি করছে, প্রকৃত পক্ষে কারা রাজাকার – তা জনগণ বুঝেছে।

স্বাধীন বাংলাদেশের তরুণীরা আজ কোথাও নিরাপদ নেই। বিশেষ করে বর্তমান ক্ষমতাসীনদের সময়ে আজকের তরুণীরা প্রতিদিনই তাঁদের সম্ভ্রব হারাচ্ছে।

আর একটি বিষয় লক্ষণীয় যে – বর্তমানে হিন্দু ধর্মের কিছু কুলাঙ্গার বাংলাদেশের মুসলিম ধর্মের মেয়েদের তুলে নিয়ে নির্যাতন করছে। এত বড় দুঃসাহস হয় কিভাবে – অবশ্যই ক্ষমতাসীনদের হিন্দু ধর্মের মানুষদের প্রতি অতি উদার হওয়ায় আজ এই অবস্থা বাংলাদেশের।

মানুষের মুনাফা লুট করে, নিরাপত্তা নেই, সড়ক দুর্ঘটনার নেই কোন ফাঁসি সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের, সাথে আবার ধর্ষণ লীগ জন্ম দিয়ে এরা করবে শান্তির দিবস, যেখানে প্রতিদিন সারাদেশে গড়ে ৬-৭ জন তরুণী তাঁদের সম্ভ্রব হারাচ্ছে। যখনই খবরের কাগজ দেখি – প্রতিদিনই তরুণীরা তাঁদের সম্ভ্রব হারাচ্ছে, আর তরুণদের খুন করা হচ্ছে ।

অচিরেই বলতে চাই – বর্তমান ক্ষমতাসীনরা যে সময়টুকু প্রধান বিরোধী দলের পেছনে ব্যয় করে, তার অর্ধেক সময়ও যদি দেশের সন্ত্রাস ও ধর্ষনকারীর পেছনে ব্যয় করতো, তাহলে দেশের সাধারন মানুষের উপকার হতো, জনপ্রিয়তা থাকতো, এখন হচ্ছে বিপরীত জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে।

Advertisements

Shuvo NoboBorsho 1426


1426 Pohela Boishakh

শুভ নববর্ষ ১৪২৬
সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা !!!

Celebrate Your Bangla New Year with Happy and Prosper with your family.


Fire Safety In Bangladesh


সময়কালঃ ২০১৯, ২৮শে মার্চ  

১মঃ

বাংলাদেশের অবস্থা যে খুব একটা ভালো নেই – এটা সহজে অনুমান। কিন্তু বুঝে না একমাত্র একটি গোত্রের লোক আর তাদের দলের কিছু নির্বাক, অন্ধ মানুষ।

যে দেশের জন – প্রতিনিধিরা জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে, চুরি – ডাকাতি করে কিভাবে ক্ষমতায় থাকা যায়, সেই ভাবনায় থাকে, আর অপরের বিরুদ্ধে কুৎসা করে বেড়ায়, সেই সব জন – প্রতিনিধিরা কখনোও রাষ্ট্রের নাগরিকদের নিরাপত্তা দিতে পারে না, শুধু পারে বড় বড় প্রতিশ্রুতি।

## প্রতিনিয়ত আগুন লাগছে ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায়। নিমতলি ট্রেজেডির পর – অগ্নিকাণ্ড ঘটছে বনানীর এফআর টাওয়ারে।

## প্রতিদিনই রাস্তায় বাস নামক যানবাহনের বেপরোয়া অদক্ষ চালকদের দ্বারা যত মানুষ হত্যা করা হয়েছে, সেসবের বিচার করবে না।

## প্রতিদিনই এনকাউনটারে নিরীহ মানুষ মেরে, বলছে বন্দুক যুদ্ধে হত্যা।

রাষ্ট্র এখন একটা নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর ক্ষমতা, স্বার্থ ও হালুয়া – রুটির প্রতিষ্ঠানে পরিণত। মূলত এই রাষ্ট্রটা এখন একটা নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর। সময় সময় গোষ্ঠীটির পরিচয় বা আকার বদলায়, কিন্তু শেষ বিচারে রাষ্ট্রটা হয়ে গেছে একটা নির্ধারিত গোষ্ঠীর।

এভাবে এমন একটা নির্ধারিত গোষ্ঠী আমরা চাই না, যাদের জন্য আমাদের সাধারন নাগরিকদের নিরাপত্তা নেই।

২ঃ

আমাদের সবাইকে ইলেক্ট্রনিক পণ্য আর বিশেষ করে আগুন, দাহ্য জাতীয় জিনিষ ব্যবহারে সতর্ক থাকা উচিত। নষ্ট, বাজেয়াপ্ত ইলেক্ট্রনিক পণ্য ফেলে দিতে হবে। টাকা – পয়সা খরচ করে হলেও ভালো মানে পণ্য কেনা উচিত। আর তা না হলে এভাবে শর্ট সার্কিট ঘটে যেকোনো সময়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

কিছু দিন আগেও ছাত্রদের নিরাপদ সড়ক দাবির আন্দোলনের মিছিলে, গনতান্ত্রিক অধিকার আন্দোলনে রাষ্ট্রয়াত্ত পুলিশ বাহিনীর যেসব জল কামান মারা হতো, আর প্রায় ১০০ ফুট দূরে থেকে যেভাবে জল কামান থেকে পানি ছিটানো হতো, সেইসব জল কামান গুলো কেন ব্যবহার করা হচ্ছে না, সেইসব জল কামান, সর্বাধুনিক বিপদজ্জনক টিয়ারশেল, স্মোক গ্রেনেড, সাউন্ড গ্রেনেড, কি শুধু জনগণ, ছাত্রসমাজ আর বিরোধী দলকে দমানোর জন্যই ।

সরকারের, যারা উন্নয়নের নামে হাজার কোটি টাকায় শুধু কিছু ব্রিজ, কাল্ভারট, ফ্লাইওভার, পদ্মা সেতু নামের খাম্বা ব্রিজ বানাচ্ছে, কিন্তু ভালো মানের লেডার বা মই কিনতে পারছে না, উন্নত মানের প্রযুক্তি ব্যবহার করছে না। পাশাপাশি রাজউক কর্মকর্তাদের একটা অংশ যারা ঘুষ বাণিজ্যে আছে, তাদের অব্যাহতি দেয়া হোক।

সবচেয়ে অবাক বিষয় – আমাদের প্রধানমন্ত্রীকেই ভবন নির্মাণের কোড অনুসরনে জোর দিতে হয় আর আগুন নিয়ন্ত্রণ কাজেও তদারকি করতে তাহলে অন্যদের দায়িত্ব কি। প্রধানমন্ত্রী নিজেও বলেছেন এসব বড় বড় পোস্টার না দিয়ে দেশের উন্নয়নের জন্য করুন।

শুধু আছে বড় বড় পোস্টারের রাজনীতি, উন্নয়নের গাঁজাখোর গল্প, আর যত সব ফালতু স্লোগান। বাস্তবে জনগণের সাথে তামাশা করছে।


Education Culture of Bangladesh


Few years ago, there was a tradition in our education culture of Bangladesh that always trying to admit into reputed school, college. But; now still, many persons became successful for their hardest struggle, willing, gave more attention into study. Many reputed persons of Bangladesh came from village schools of Bangladesh and many unknown families.
||
Beside, many reputed persons finished their education from very simple school, or govt. school and college, University.
|
Last year, a school girl of the Viqarunnisa Noon School had died for the careless of parents and School class teachers.

What do you mean a successful person.
A successful person can achieve success through his struggle, good works and living in the society with respect.

First one thing is very needed to achieve success, that is praying to your Creator / Allaah / God.

Success is not all for a person, it’s a very important to lead the life with happy, healthy with his/her family and relatives.


বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষা শিক্ষাব্যবস্থা এবং কোটা সংস্কার


বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষা শিক্ষাব্যবস্থা এবং কোটা সংস্কার

আমাদের সময় মানে – ৯০ দশকের কথাই বলছি।
সেই ৯০ দশকের সময় প্রশ্নপত্র ফাস হতো, তাই বলে বর্তমানের এই ২০ শতকের মত প্রযুক্তির যুগে, কঠোর নিরাপত্তার মাঝে এভাবে একের পর এক প্রশ্নপত্র ফাস হয় নাই। তখনকার সময় সরকার আর শিক্ষা সংশ্লিষ্ট জড়িত অনেক ব্যাক্তিরা সৎ, অনেকটা যত্নবান ছিল। কিন্তু এখনকার সময় – একের পর এক প্রশ্ন পত্র ফাস হচ্ছে, কিন্তু শিক্ষা সংশ্লিষ্ট জড়িত ব্যাক্তিরা এতটাই বেশি আবেগপ্রবন, তারা কিছুই করতে পারছে না। এসবের বিরুদ্ধে একশন নিতে পারছে না – এমনটা ভাবা ভুল। শুধু জিপিএ ৫ দিয়ে গনহারে রেজাল্ট দিলেই হবে না, শিক্ষার গুনগত মান নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রানালয়ের আছে ব্যাপক ফৌজদারি ক্ষমতা, কিন্তু বর্তমান শিক্ষা মন্ত্রানালয়ের ঊর্ধ্বতন মহল আর শিক্ষা সংশ্লিষ্ট জড়িত ব্যাক্তিরা, এমন একটি প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মন খুশি করতে, তাদের মদদে চাইছে এই বাংলাদেশের বাঙালী জাতিটা ধ্বংস হয়ে যাক, মেধা শুন্য হয়ে যায় দেশের ছেলেমেয়েরা, যেন ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বিদেশী বহুজাতিক কোম্পানি গুলোতে বাংলাদেশের তরুণরা নেতৃত্ব না দিতে পারে।

আমাদের বাংলাদেশে যারা শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিষয়ের সাথে যারা জড়িত, তারা কখনোই দেশের শিক্ষা পদ্ধতিকে আধুনিকায়ন করতে পারে নাই।

৯০ দশকের পর থেকেই সব সরকারই বলে আসছে যে – দেশের শিক্ষা পদ্ধতি আধুনিক আর সময়ের সাথে উন্নত দেশের সাথে সমকক্ষ হবে। কিন্তু বাস্তবে এই বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা বলতে কিছুই নাই। সব ক্ষেত্রে কোঁটা পদ্ধতি, যেখানে মেধার কোন মূল্যায়ন হয় না। উন্নত দেশে কোথাও বাংলাদেশের মত কোঁটা পদ্ধতি নেই। এই কোঁটা পদ্ধতি বাতিল হয়তো হবে না, কিন্তু বিশেষ কোঁটায় নিয়োগ বন্ধ করতে হবে।

যেখানে বাংলাদেশের ছাত্ররা দেশকে নিয়ে স্বপ্ন দেখে, দেশের উন্নয়নে শিক্ষা পদ্ধতির পরিবর্তন চায়, মেধার মূল্যায়ন চায়, সেইখানে অসংখ্য ছাত্রদের উপর পুলিশ দিয়ে আক্রমণ করা, কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ আর জলকামান ব্যবহার করা – একটি দুর্বল, অগনতান্ত্রিক সরকারের পরিচয় বহন করে।

একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে সব নাগরিকের অধিকার সমান, তাহলে আবার কারও কারও বিশেষ অধিকার কেন ?
যেখানে বাংলাদেশের ছাত্ররা দেশকে নিয়ে স্বপ্ন দেখে, সারা জীবনের পরিশ্রম আর মেধার মূল্যায়ন চায়, দেশের উন্নয়নে শিক্ষা পদ্ধতির পরিবর্তন চায়, দেশেই মেধার মূল্যায়ন চায়, সেখানে কোটাব্যবস্থা ৫% হওয়া উচিত।

আমাদের দেশে বিসিএসে নিয়োগে বর্তমানে ৫৫ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও তাঁদের নাতি-নাতনিদের জন্য ৩০ শতাংশ, নারী কোটা ১০ শতাংশ, জেলা কোটা ১০ শতাংশ এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য ৫ শতাংশ কোটা। এ ছাড়া প্রতিবন্ধীদের জন্য কোটা রয়েছে ১ শতাংশ। কোনো কোটায় উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া না গেলে সেখান থেকে প্রতিবন্ধী কোটা পূরণ হয়।

এ হিসাব থেকে বোঝা যাচ্ছে, এ দেশে যে মেধাবী তরুণ, যিনি কোনো কোটায় পড়েন না (জেলা কোটা ছাড়া), তাঁর চাকরি পাওয়ার সুযোগ ও সম্ভাবনা কম। সংখ্যায় তাঁরাই বেশি আর তাঁদের লড়াইটাও বেশি। দিন-বছর শেষে আমাদের বাংলাদেশের তরুণদের বঞ্চনাও বেশি।
এ দেশের তরুণসমাজ চায় পরিবর্তন, কোটাব্যবস্থা বাতিল হোক, অথবা ৫% হওয়া উচিত।

আমাদের বাংলাদেশে যারা শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিষয়ের সাথে যারা জড়িত, তারা কখনোই দেশের শিক্ষা পদ্ধতিকে আধুনিকায়ন করতে পারে নাই।

৯০ দশকের পর থেকেই সব সরকারই বলে আসছে যে – দেশের শিক্ষা পদ্ধতি আধুনিক আর সময়ের সাথে উন্নত দেশের সাথে সমকক্ষ হবে। কিন্তু বাস্তবে এই বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা বলতে কিছুই নাই। সব ক্ষেত্রে কোঁটা পদ্ধতি, যেখানে মেধার কোন মূল্যায়ন হয় না। উন্নত দেশে কোথাও বাংলাদেশের মত কোঁটা পদ্ধতি নেই। এই কোঁটা পদ্ধতি বাতিল হয়তো হবে না, কিন্তু বিশেষ কোঁটায় নিয়োগ বন্ধ করতে হবে।

যেখানে বাংলাদেশের ছাত্ররা দেশকে নিয়ে স্বপ্ন দেখে, দেশের উন্নয়নে শিক্ষা পদ্ধতির পরিবর্তন চায়, মেধার মূল্যায়ন চায়, সেইখানে অসংখ্য ছাত্রদের উপর পুলিশ দিয়ে আক্রমণ করা, কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ আর জলকামান ব্যবহার করা – একটি দুর্বল, অগনতান্ত্রিক সরকারের পরিচয় বহন করে।


HaPPY NEW Year 2019


Thanks to Allaah that stay in live still now.
A successful and greatest but challenging year 2018, I had pass.
End of the year 2018 and start of the year 2019 enjoying the time with family and everyone.


Teaching System between Teachers and Students of VNS Bangladesh


আমাদের সময় মানে ৯০ দশকের কথা বলছি, তখনকার সময় স্কুল কলেজের শিক্ষকরাও কড়া আর কঠোর ছিল, তাই বলে অসুদাপায় অবলম্বন বা নকলের জন্য কখনো ভৎসনা, অপমান করা হতো না, শুধু বের করে দেয়া হতো।

আর প্রধান শিক্ষকের কাছে নকলের দায়ে নিয়ে গেলেও, প্রধান শিক্ষক বুঝিয়ে দিতেন যে হকল করে নম্বর বেশি পেলেও, পরবর্তী জীবনে কি এফেক্ট পড়বে। তাই বলে অপমান কিংবা খারাপ ব্যাবহার করা হতো না শিক্ষার্থীদের সাথে, ছাত্রছাত্রী আর তাঁর অভিভাবকের সাথে।

এটাও সত্য – এখনকার কমবয়সী ছেলে মেয়েরা একটু বেশি আবেগপ্রবণ। আমাদের সময়ে বৃত্তি পরীক্ষা, এস.এস.সি পরীক্ষার সময় নকল করে মেজিস্ট্রেটের কাছে ধরা পড়ে পায়ে ধরে কান্নাকাটি করেছে – এমনও দেখেছি। কিন্তু কেউ যদি তার অন্যায়কে সহ্য করতে না পেরে গিয়ে নিজের জীবনহানি ঘটায় তাহলে সেটা দুঃখের ব্যাপার হতে পারে ।

‘কতটা অপমানিত হলে একজন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করে?’
আমাদের দেশের নামধারী কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে, যেখানের শিক্ষকরা ভাবে শুধু কঠোর আর কঠিন হলেই শিক্ষার্থী ভালো রেজাল্ট আর ভালো হবে।

কিন্তু বাস্তবে তা নয়।
সময় এগিয়েছে, আমাদের দেশের শিক্ষকদেরও মানসিকতা আর নৈতিকবোধের পরিবর্তন করতে হবে। বাংলাদেশের শিক্ষকরা বাহিরের দেশের কথা প্রায়ই উদাহরণ দিয়ে থাকে, কিন্তু বাংলাদেশের এসব নামধারী স্কুল কলেজের কয়জন শিক্ষক – শিক্ষিকা আছে যে – বাহিরের দেশের মত করে ধৈর্য নিয়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা বিতরন করতে পেরছে।
” জাপানে এক ছাত্র নকল করায় শিক্ষক তার কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন এবং বলেছিলেন আমায় ক্ষমা করো তোমাকে সঠিক ভাবে শেখাইনি বলে, আমি অপরাধী। ”

বাবা-মা যেমন চোখের সামনে সন্তানের লাঞ্ছনা সইতে পারেন না, সন্তানের জন্যও তেমনই কঠিন বাবা-মায়ের অপমান ভুলে যাওয়া।
যে শিক্ষক বা প্রিন্সিপালের মধ্যে মানবিকতা নেই, যিনি শিশুর ভুল-ত্রুটিকে দারোগার চোখ দিয়ে দেখার বাতিকে আক্রান্ত, তাঁর কাছে ছেলেমেয়েদের শিখতে পাঠানো আর আখমাড়াইকলে আখ ঢোকানো সমান কথা। দ্য এডুকেটর শুড বি এডুকেটেড ফার্স্ট।

অবিলম্বে আইডিয়াল স্কুল আর ভিকারুননিসা নূন স্কুলে অ্যান্ড কলেজের মত অন্যান্য স্কুল, কলেজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

 


Holy Eid e Milad un-NABi


Happy Holy Eid-e-Milad-un-NABi..
On this day world’s Last Prophet Hazrat Muhammad (PBUH) born in the earth.
On this day in 570, the 12th of Rabiul Awal of the Hijri calendar, marking the birth and demise of Prophet Hazrat Muhammad (PBUH).

This day, Allaah accept Dua of the muslim people, however anyone pray to Allaah.

Hazrat Muhammad (PBUH) was born in Makkah of Saudi Arabia with divine blessings and messages of peace for mankind. He also passed away on the same day.