RezwanAhmed & His Team || Software Engineer

Author Archive

M1 Chip Newly Designed By Apple Specially For The Mac


During its latest online launch event, Apple unveiled its newest M1 chip that will be introduced in Apple’s next generation of Macs.

The M1 is the first chip announced from Apple’s family of ARM-based Silicon chip, and comes packed with an astounding 16 billion transistors which is the most Apple has ever stuffed into a chip. This allows Apple to increase the number of CPU cores from six to eight for heavy-duty work on the Mac.

“We’ve been making Apple Silicon for more than a decade. It’s at the heart of iPhone, iPad, and Apple Watch – and now we want to bring it to the Mac, so the Mac can take a huge leap forward with the incredible performance, custom technologies and industry-leading power efficiency of Apple Silicon,” Apple’s senior vice president of hardware technologies, Johny Srouji, said.

According to Apple, the M1 features the “world’s best CPU performance per watt, the world’s fastest integrated graphics in a personal computer, and breakthrough machine learning performance with the Apple Neural Engine.”

Not surprisingly, the M1 also features Apple’s most advanced GPU, with up to eight cores capable of running nearly 25,000 threads simultaneously. This essentially means that the GPU will be more than capable of handling graphically-demanding tasks such as rendering complex 3D animations or images, and playbacks of multiple 4K streams.

With the M1 chip designed to excel at machine learning, tasks like video analysis, voice recognition, and image processing will now be even better than before on the Mac.

The M1 will allow users to load apps faster on their devices and run an even wider range of apps, including ones directly from their iPhones and iPads. To take full advantage of the capabilities and power of M1, Apple has also that its newest Big Sur macOS will be optimised.

The M1 will be the power behind the newly announced MacBook Air, 13-inch MacBook Pro, and Mac mini and also marks Apple’s first step in transitioning to a new family of chips specially designed for the Mac.


Control your High Blood Pressure


Control your high blood pressure with healthy practices such as a balanced diet and an active lifestyle.


Smoking damages your lungs


Smoking damages your lungs and other parts of your body, and it makes you more vulnerable to COVID-19 infection.
It is the right time to 🚭 quit smoking for a safer and better health.

বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মধ্যে অন্য দেশ ভারত কিভাবে তাদের স্বাধীনতা দিবস পালন করছে


মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবাজরা কোথায় !!!
যেখানে সমগ্র বাংলাদেশে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জনক, অন্যতম অভিভাবক
মরহুম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শোক দিবস পালন হয়েছে, সেখানে কিভাবে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মধ্যে অন্য দেশ তাদের স্বাধীনতা দিবস পালন করছে।
আবার একই দিনে বঙ্গবন্ধুর হত্যা ঘটনা রহস্যজনক, আন্তজাতিকভাবে তদন্ত হলে বন্ধু রাষ্ট ভারত ফেসে যেতে পারে।
Where is the Chetonabaj People..??
It’s a big crime that when in every area of Bangladesh celebrate the grief day of the father of Nation of Bangladesh, then an Indian Deputy HC how celebrate the Independence Day of India.
It’s time to do make judgement to India. But, who will apply justice on Indian Deputy High Commisioner.

Omitabh Reza one of the Most Lower Class and Criminal person in Media


অমিতাভ রেজা-কে শুরু থেকে যখন দেখেছি, তখন দেখতেই গাঞ্জাখোর লাগতো, আর নারী খোর মনে হতো, আজ তাই প্রমান হয়েছে।
এদের না আছে শিক্ষা, না আছে ভদ্রতা আর নৈতিকতা ।
একটা সময়ে শুনতাম ৮০ / ৯০ দশকের নির্মাতারা ছিলেন ভদ্র, সুশিক্ষিত আর বিনয়ী যেন নিজেদের জনপ্রিয়তায় কালিমা না লাগে।
এরা কিভাবে জনপ্রিয় হয়।
থতুনির নীচে দাড়ি আর ফ্রেঞ্চ কাট রেখে বছরে ২/৩ টা ছবি বানিয়ে ১ / ২ টা হিট হলে নিজেদেরকে ভাবে অনেক মহান।
অমিতাভ রেজার মত এমন বাংলাদেশের অনেক ধর্ষক নির্মাতা আছে, যারা মেয়েদেরকে পুতুল বানিয়ে সুবিধা আদায় করে আর সাথে অনেক মেয়েদের সাথে অনৈতিক কাজের বিনিময় বানায় মডেল তারকা, অভিনেত্রী।
মিডিয়া সংশ্লিষ্ট সবার উচিত এদেরকে বয়কট করা।
আর, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার উচিত এদের কঠোর সাজা দেয়া।

List of different Item that will find into different place with very Cheap Cost


ঢাকার কোথায় কোন আইটেমগুলো আপনি সবচেয়ে সস্তায় এবং পাইকারি দামে পাবেন তার বিস্তারিত একটা লিস্ট আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছি, আশা করি আপনার ব্যবসায়ের কাঙ্খিত আইটেম খুঁজে পেতে একটু হলেও সহজ হবে।
পুরান ঢাকার লালবাগে অবস্থিত একটি জনপ্রিয় বাজার। প্রসাধনী, ইমিটেশন, হোসিয়ারী, খেলনা, বিয়ের নানারকম জিনিস ও বার্থডের আইটেম সবচেয়ে সুলভ মূল্যে পাওয়া যায়।
মসল্লা, তেল, চিনি, ময়দা, সাবান, পেষ্ট, বেবি ফুড ও রান্না করার জাবতীয় মনোহারী মাল এবং দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় মালামাল।
দেশি বিদেশি বিষ্কুট এবং চকলেট ও সিগারেট, ওয়ান টাইম আইটেম, টিস্যু, পলি ব্যাগ, ওভেন ব্যাগ, কেক ও বিস্কিট তৈরির বক্স ইত্যাদি।
দেশি বিদেশি গার্মেন্টস এবং হোসিয়ারী।
নানা ধরণের লৌহ আইটেম যেমন প্লেন শিট, রড, জি আই পাইপ, এবং প্লাস্টিকের পাইপ, স্যানেটারি আইটেম এবং নতুন সাইকেল, রিকশা এবং এর নানা যন্ত্রাংশ পাওয়া যায়।
নবাবপুর রোড হল বাংলাদেশের ইলেট্রিকাল ও মেকানিক্যাল আইটেমের সবচেয়ে বড় বাজার।
কল-কারখানার নানা ধরণের মেশিনারী, কৃষি যন্ত্রপাতি, মটর, ইঞ্জিন, গৃহ ও কারখানার নানা ইলেক্ট্রিক্যাল প্রোডাক্ট যেমন বাল্ব, সুইচ, হোল্ডার, ফ্যান, তার, হোস পাইপ, টিভির যন্ত্রাংশ ও পিকচার, বেল্ট, ফিতা ইত্যাদি পাওয়া যায় খুচরা ও পাইকারিতে।
কমদামে মুদি সামগ্রি, নানা ধরণের মশলা, মুরগি, ছাগল, পোষা পাখি ও পশু পাবেন এখানে।
শাঁখারি বাজার মূলত হিন্দু মহিলাদের হাতে শাঁখার জন্য বিখ্যাত। এছাড়াও এখানে আছে অনেক স্বর্ণকার যারা স্বর্ণের নানা অলংকার তৈরি করে বিক্রি করে থাকে এবং অলংকার বন্ধক রেখে টাকাও দেয়। পূঁজার নানা আইটেমের জন্য বিখ্যাত। এখানে পাওয়া যায় শীল-পাটা, সমাধি ফলক, কাসার জিনিসপত্র, হারমোনিয়াম ইত্যাদি।
গুলিস্থান থেকে বাসে সদরঘাট যেতে পরে এবং নবাবপুর রোডের একেবারে শেষ মাথায় অবস্থিত। এখানে নাট-বল্টু, সেফটিং রড় এবং ত্রিপল পাবেন।
ঢাকার সবচেয়ে বড় দুধের আড়ত অবস্থিত এখানে। নবাবপুর রোডের প্রায় শেষ মাথায় এটি অবস্থিত।
ছাতা, বিভিন্ন অ্যাপ্রন, টর্চ লাইট, চার্জার লাইট এবং ফ্যান, তালা, চাবীর রিং, কেচি, চাকু, নেইল কাটার, সেইভিং সেট, প্লাস্টিক রশি, মাছ ধরার উপকরণ, খাতা, কলম, পেন্সিল, পরিক্ষা বোর্ড, জ্যামিতি বক্স, চিড়া, তালমিশ্রি, সেমাই, বিরিং, বাংলা চিপস, বাংলা সাবান ইত্যাদি
বাদাম, মসল্লা, সুপারী, দেশি বিস্কিট, খালী ড্রাম, বরফ কল, চিটা গুড়, ঐতিয্যবাহী মাছের আড়ত, বাংলাদেশের সকল প্রকার স্যান্ডাল ও জুতা তৈরি কারখানার হোলসেল সেন্টার।
যাবতীয় ডাল ও ভূষা মালের আড়ত
যাবতীয় হার্ডওয়ার (তারকাটা, তারবেড়া, পেরেক, করাত, হাতুর, ছেনি, কল কবজা, চটের ও প্লাস্টিক বস্তা, পাটের রশি, ক্রোকারীজ আইটেম সামগ্রী প্লাস্টিক, সিরামিকস, মেলামাইন, স্টিল ও সিলভার এবং তামার হাড়ি পাতিল, কড়াই, খুন্তি, পাম চুলা, ষ্টপ চুলা, হ্যাজাক লাইট, হাড়ীকেন, বিদেশি সো-পিস, ঔষধ, মেডিকেল ইকুইপমেন্ট।
ঢাকার অদূরে কিংবা ঢাকার বাইরের জেলা শহরগুলোতে অনেক ব্যবসায়ী আছেন যারা তাদের প্রয়োজনীয় পন্য কেনার জন্য ঢাকামূখী হয়ে থাকেন। কিন্তু কোথায় কোন পন্যের পাইকারী বাজার তা না জানার কারনে প্রথম দিকে হোঁচট খেতে হয়। আর নতুন ব্যবসায়ীদের জন্য তো খুঁজে পাওয়াটা আরও বেশী কষ্টকর হয়ে থাকে।
গেঞ্জি, প্যান্ট, শার্ট সলিড কালার: তৈরি পোশাক (জামা, প্যান্ট, জ্যাকেট, সোয়েটার, গেঞ্জি, জাঙ্গিয়া ইত্যাদি), পাদুকা সামগ্রী এবং শাড়ি কেনা যায়। এখানে এসব পণ্য খুচরা ও পাইকারি হারে বিক্রয় হয়।
পশু পাখির বাচ্চা, খাবার পানির পাত্র, খামারের যন্ত্রপাতি ব্রুডার ইত্যাদি।
নতুন পুরাতন মোবাইল, কম্পিউটার ও অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক্স. বঙ্গবন্ধু জাতীয় ষ্টেডিয়ামে দেশের নামকরা ইলেক্ট্রনিক্স মার্কেট অবস্থিত। এখানে প্রায় ৮০০ টি ইলেক্ট্রনিক্সের দোকান রয়েছে।
সব ধরণের নতুন পুরাতন ইলেক্ট্রনিক্স ও ধাতব যন্ত্রপাতি: ধোলাইখাল নামটিতে খাল শব্দটি থাকলেও এখানে এলে কোন খাল কিংবা জলাশয় খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। পুরনো ঢাকায় নবাবপুর রোডের মোড় থেকে শুরু করে নারিন্দা পর্যন্ত এর বিস্তৃতি। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর পরই ধোলাইখালে পুরোনো যন্ত্রাংশের ব্যবসা শুরু হয়। এখানে ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় হাজার পাঁচেক খুচরা যন্ত্রাংশের দোকান রয়েছে। মোটর পার্টসের দোকান ছাড়াও এখানে রয়েছে ড্রাম শিট, লেদ মেশিন, পুরনো লোহা-লক্কড়ের দোকান।
রিকন্ডিশন্ড এই খুচরা যন্ত্রাংশগুলো তারা আমদানি করে চীন, জাপান, মধ্যপ্রাচ্য, পাকিস্তান, সিঙ্গাপুর থেকে। এখানে প্রায় সব মডেলের গাড়ির বিশেষ করে টয়োটা, নিশান, হোন্ডা, মিৎসুবিশি, সুজুকি, মারুতির যন্ত্রাংশ বেশি পাওয়া যায়। বাস এবং ট্রাকের মধ্যে বেডফোর্ড, ইসুজু, নিশান, হিনো, ভলভো, টাটা, অশোক লেল্যান্ড, টারসেল, আইয়ার, ক্যান্টার প্রভৃতি গাড়ির যন্ত্রাংশ পাওয়া যায়।
নতুন পুরাতন ইলেক্ট্রনিক্স ও ধাতব যন্ত্রপাতি।
জিঞ্জিরায় তিনটি পৃথক এলাকায় তৈরি করা পণ্যের নামানুসারে তিনটি স্থান আছে। যেখানে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন কারখানা। তাওয়াপট্টিতে আছে ছোট-বড় প্রায় ৭০০ হালকা শিল্প-কারখানা আর এখানে মূলত তৈরি হয় গ্রিল কারখানা, তালা, ছাতার জালা, কব্জা, পাওয়ার প্রেস, প্লেঞ্জার, ক্ল্যাম, শিট, কয়েল, ওয়াশার, নাট-বল্টু, স্ক্রু, তারকাঁটা, তোপকাটা, বালতি, অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়ি-পাতিল, কড়াই ইত্যাদি। টিনপট্টিতে তৈরি হয় টিন, শিট, কয়েল। এখানে অনেকগুলো কারখানা আছে। তবে এর বাইরেও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে বিদেশ থেকে আমদানিকৃত সেকেন্ডারি শিট মজুদ এবং গোপনে ঢেউটিন তৈরির করে
পুরান ঢাকায় পাটুয়াটুলি রোড (রোড এর দুই পাশ ইলেক্ট্রনিক্স মার্কেট) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এর এর পর সদরঘাট এর আগে যদি আপনি গুলিস্তান থেকে সদরঘাট এর দিকে যান ইলেক্ট্রনিক এর মার্কেট আছে, স্টেডিয়াম এর চেয়ে অনেক বেশি সমৃদ্ধ।
ইসলামপুরকে বলা হয় পাইকারি কাপড়ের চকবাজার। এখানে নানা ধরণের নানা মানের প্যান্ট, স্যূট, কোট, শার্ট ও থ্রী পিছ পাইকারি ও খুচরা পাওয়া যায়।
ঢাকার অন্যতম পুরাতন বাজার। এটা ব্রিটিশ শাসনামল থেকে ঢাকাবাসীর বিভিন্ন দ্রব্যের যোগান দিয়ে আসছে। বর্তমানে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্ববধানে বাজারটি পরিচালিত হচ্ছে। সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে পূর্ব দিকে ৮–১৫ গজ দূরে শ্যমবাজারের সীমানা শুরু।
এই বাজারে সাধারণত ফজর নামাযের পর থেকে সকাল ১১.০০ টা পর্যন্ত বেশী ভিড় হয়। কোন সাপ্তাহিক বন্ধ নেই এবং প্রতিদিন ভোর বেলা থেকে রাত ৮.০০ টা পর্যন্ত স্বাভাবিক লেনদেন হয়ে থাকে। সাধারণত প্রায় দৈনন্দিন খাদ্য তালিকার সব কাঁচা বাজার ও ফলমূল পাওয়া যায়। যেমন – আলু, পেঁয়াজ, মরিচ, বেগুন, মাছ, সবজি, পটল, করলা ইত্যাদি। আর ফলমূল এর মধ্যে রয়েছে – আম, জাম, কলা, লিচু, তেঁতুল, আনারস, পেয়ারা ইত্যাদি। এছাড়া তেল, লবণ, মসলাও পাওয়া যায়।
বাজারের বিভিন্ন ধরনের ভাগ আছে। যেমন – ১নং রোডে বুড়িগঙ্গা নদীর পাড় ঘেঁষে রয়েছে আম, কাঁঠাল, লিচু এবং অন্যান্য ফল আর নদীর পাড়ের রাস্তার বিপরীত পাশে পাওয়া যায় আলু, পেঁয়াজ, আদা, রসুন ইত্যাদি। মূল বাজারের মাঝামাঝি ও নদীর পাড় ঘেঁষে বিভিন্ন রকম শাক-সবজির বাজার বসে।
বর্তমানে বাংলাবাজার বাংলাদেশের মধ্যে বইয়ের বৃহত্তম মার্কেট। বাংলাদেশের প্রকাশনা ব্যবসা আবতির্ত হচ্ছে বাংলাবাজারকে ঘিরে। পাঠ্যবইসহ অন্যান্য অনেক ধরনের বই পাওয়া যাচ্ছে যেখান থেকে। বাংলাদেশের বড় বড় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলোর অফিসও বাংলাবাজারেই অবস্থিত। এছাড়াও পোশাক সামগ্রীর জন্যও এটি বিখ্যাত।
ঢাকা শহরের প্রধান বানিজ্যিক এলাকা। এটি ঢাকা শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। এখানে রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক জনতা ব্যাংক সহ বহু প্রতিষ্ঠানের মূল কার্যালয় ।
বিভিন্ন ক্রীড়া সংঘ, কম্পিউটার্স, কম্পোজ, ডিজাইন, প্রিন্টিং প্রেস ইত্যাদির জন্য বিখ্যাত
জুতা, ব্যাগ, সিরামিকস/চীনামাটির বাসনপত্র, কাপড়, পর্দা, দর্জা জানালার পর্দা, বেডিং সামগ্রী নতুন পূরাতন কম্পিউটার, ক্রয় বিক্রয় ও মেরামত।
এলিফ্যান্ট রোডে অবস্থিত কম্পিউটার, ইলেক্ট্রনিক্স, ক্যামেরা সামগ্রীর বৃহৎ মার্কেট।
এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা। এখানে বাচ্চাদের ব্যগ সহ বিভিন্ন অলংকার সামগ্রী পাওয়া যায় সহজলভ্যে।
ইসলামি বইপত্র, সিডি, বোখরা, হিজাব, সুগগ্ধি, অ্যাকুরিয়াম, পোষা নানা ধরণের পাখি, কুকুর, বিড়াল, কোম্পানি নেমপ্লেট, সাইনবোর্ড ব্যানার প্রিন্ট ব্রান্ডিং সামগ্রী।
১৯৫২-৫৪ সালে নির্মিত একটি বিপণি কেন্দ্র। পর্যায়ক্রমে এটি ঢাকার বাইরের ক্রেতাদেরও আকর্ষণ করে। মার্কেটটি আজিমপুরে অবস্থিত, যার পূর্বদিকে রয়েছে মিরপুর রোড, উত্তরে ঢাকা কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও নীলক্ষেত এলাকার কাছেই এবং দক্ষিণে পিলখানা রোড। মার্কেটটির পাশেই খুচরা দোকানের একটি কেন্দ্র আছে। সেখানে কাপড়-চোপড়, ঔষধ, টয়লেট সামগ্রী ও গৃহস্থালি ব্যবহারের টুকি-টাকি দ্রব্যাদি বিক্রয় হয়। এছাড়া, বেশ কয়েকটি দোকানে বিক্রয় হয় প্রসাধনী সামগ্রী, স্যুভেনির ও শোপিস সামগ্রী, তৈজসপত্র, হালকা বৈদ্যুতিক দ্রব্য ও আসবাবপত্র। মার্কেটটির উত্তর দিকে মুদির দোকান এবং মাছ, মাংস, ফল-মূল ও সবজির বাজার রয়েছে।
আজকের দিনে ‘নিউমার্কেট’ বলতে ভিতরে এবং বাইরে বৈচিত্র্যপূর্ণ দোকানের এক বিপুল সমাহারকে বোঝায়। মূল মার্কেটে তিনটি উঁচু খিলানযুক্ত প্রবেশদ্বার রয়েছে, ভিতরে আছে বই-পত্র ও লেখা-লেখির সামগ্রী, ঘড়ি, চশমা, চামড়ার সামগ্রী ও ভ্রমণের উপকরণাদি, মুদি দ্রব্যাদি, কাপড়-চোপড়, অলঙ্কার ও বৈদ্যুতিক দ্রব্যাদি এবং দর্জি, ফাস্টফুড ও ছবি তোলা ও প্রসেসিং-এর দোকান। দোকানগুলির সামনে একটা আচ্ছাদিত টানা বারান্দা রয়েছে। মার্কেটটিতে মোট ৪৬৮টি দোকান রয়েছে এবং বাজার করতে আসা ক্রেতারা এখানে তাদের চাহিদা অনুযায়ী প্রায় সব জিনিস-পত্রই পেয়ে থাকে।
#গাউসিয়া_মার্কেট
নিউমার্কেটের বিপরীতে, পোশাক সামগ্রীর জন্য বিখ্যাত।
#চন্দ্রিমা সুপার মার্কেট
নিউমার্কেটের উত্তরে অবস্থিত পোশাক সামগ্রীর জন্য বিখ্যাত।
#নুরজাহান_মার্কেট
ঢাকা কলেজের উত্তরে অবস্থিত পোশাক সামগ্রীর জন্য বিখ্যাত।
#নীলক্ষেত
ঢাকা শহরের স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী এবং তাদের অভিভাবকদের নিকট নীলক্ষেত অত্যন্ত পরিচিত এবং অতি প্রয়োজনীয় মার্কেট। স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছেও এ মার্কেট গুরুত্ব বহন করে। কেননা, দেশি-বিদেশি বিভিন্ন লেখকদের বই তথা প্রয়োজনীয় সকল বই-পত্রের জন্য নীলক্ষেত বই মার্কেটের বিকল্প নেই ঢাকা শহরতো বটেই, সারা দেশেও। বইয়ের মার্কেটের ক্ষেত্রে নীলক্ষেত বই মার্কেট তাই একচ্ছত্র আধিপত্য ভোগ করছে।
এখানে বইয়ের পাশাপাশি ফটোকপির দোকান, বাইন্ডিং অর্থাৎ বাঁধাইয়ের দোকান, কম্পিউটারে বিবিধ কাজ করার দোকান, ছাপাখানা, সাইবার ক্যাফে, অটো ক্যাড প্রিন্টিংয়ের দোকান, টেইলার্সের দোকান ও খাবার দোকান অবস্থিত। ৫ টি মার্কেটের সমন্বয় হচ্ছে নীলক্ষেত বই মার্কেট এখানে নতুন ও পুরাতন বোর্ড বই, রেফারেন্স বুক, ম্যাগাজিন প্রভৃতি সকল ধরনের বই পাওয়া যায়।
#ইসলামিয়া_বহুমুখী_সমবায়_সমিতি
স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিক্যাল, ইঞ্জিনিয়ারিং, আইন, ইংরেজী মাধ্যম স্কুল, বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগতামূলক পরীক্ষার নতুন ও পুরাতন বই পাওয়া যায়।
#বিসিএস_কম্পিউটার_সিটি
বেগম রোকেয়া স্বরণী, আগারগাঁও, শেরে বাংলা নগর, ঢাকা – ১২০৭। ২০০০ ইং সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। শপিং মলটি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন, নিজস্ব স্ট্যান্ডবাই জেনারেটর সুবিধাসহ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এবং টাইলস সজ্জিত নতুন ভবনে অবস্থিত। মার্কেটটিতে মোট দোকানের সংখ্যা ৩৫০ টি। মার্কেট মালিক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক শপিং মলটি পরিচালিত হয়। এটি দেশের বৃহত্তম কম্পিউটার মার্কেট।
#মোতালেব_প্লাজা_হাতিরপুল
মোবাইল ফোন সামগ্রী বিক্রয় মেরামত ও পাইকারি বিক্রয় শপিং মলটি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন, এস্কেলেটর সুবিধা, নিজস্ব স্ট্যান্ডবাই জেনারেটর সুবিধাসহ শীতাতপ নিয়ন্ত্রীত এবং টাইলস সজ্জিত নতুন ভবনে অবস্থিত। এখানে মোট দোকান সংখ্যা ১২০০ টি। মালিক সমিতি কর্তৃক শপিং মলটি পরিচালিত হয়।
#হাতিরপুল_বাজার
সিরামিক টাইলস, বাথরুম ফিটিংস সামগ্রী, কাঁচাবাজার, ইত্যাদি।
#আজিজ_সুপার_মার্কেট_শাহবাগ:
টি-শার্ট, পাঞ্জাবী, ফতুয়া, থ্রি-পিছ ইত্যাদি পোশাক সামগ্রী, কারুপন্য, হস্তশিল্প ইত্যাদির জন্য জনপ্রিয়।
#শাহবাগ_মোড়
যাবতীয় ফুল ও ঔষধ পাওয়া যায়।
#গাউসুল_আজম_মার্কেট
নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির সাথে অবস্থিত। এখানে রয়েছে ২০০ এর অধিক দোকান। এখানে যে সব সুবিধা পাওয়া যায়- ফটোকপি, সাইবার ক্যাফে, মুদ্রন ও প্রিন্টিং, টেইলার্স, ছবি বাঁধাইয়ের দোকান, কম্পিউটারের বিভিন্ন কাজ।
রাস্তার সামনের অংশটিকে সিটি কর্পোরেশন মার্কেট বলা হয়। এখানে রয়েছে খাবার দোকান, ফটোকপির দোকান A3, A4 অটো ক্যাড প্রিন্টিং এর দোকান।
#কারওয়ান_বাজার
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার ও ঢাকা শহরের সবচেয়ে বড় কেন্দ্রীয় পাইকারী ও খুচরা বাজার। ঢাকা শহরের অন্যতম বাণিজ্যিক এলাকা হিসেবে এখানে অনেক বড় বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। দৈনিক প্রথম আলো, দ্যা ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ), দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট এবং আরও অনেক খবরের কাগজের প্রধান অফিস কাওরান বাজারে অবস্থিত।
এছাড়াও একুশে টেলিভিশন, এনটিভি, এটিএন বাংলা, এটিএন নিউজ, বাংলাভিশন, আরটিভি টেলিভিশনের প্রধান কার্যালয় এবং স্টুডিও কাওরান বাজারে অবস্থিত।
#ফার্মগেট
বিভিন্ন কোচিং প্রতিষ্ঠান, কৃষি সামগ্রী, যন্ত্রপাতি, বইপত্র, কমদামী কাপড়, জুতা ইত্যাদি,
#পান্থপথ:
কোচিং, আইটি প্রতিষ্ঠান, কাঠ, প্লাইউড, বেত, স্টিলের ফার্নিচার, অফিস কেবিনেট সামগ্রী।
#বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স:
বসুন্ধরা সিটি ভবনটি একটি ২১ তলাবিশিষ্ট ভবন, যার নিচের ৮টি তলা বিপণী বিতানের জন্য ব্যবহার করা হয় এবং অবশিষ্ট তলাগুলি বসুন্ধরা গ্রুপের দপ্তর হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ভবনের বিপণী বিতান অংশে প্রায় ২,৫০০টি দোকানের জায়গা রয়েছে। এছাড়াও আছে খাবারের দোকানের জন্য একটি নির্দিষ্ট তলা, মাটির নিচে বা বেসমেন্ট লেভেলে অবস্থিত একটি বড় শরীরচর্চা কেন্দ্র, একটি মাল্টিপ্লেক্স সিনেমা হল এবং এর উপরের তলাতে শিশুদের বিনোদন কেন্দ্রসহ একটি খাবারের রেস্তোরাঁ। ছাদে বাগানসহ সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এই বিপণী বিতানটি ঢাকার নগরীর আধুনিকায়নের অন্যতম প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।
#বাংলামটর:
মোটরগাড়ির যন্ত্রপাতি সামগ্রী।
#বেনারশী_পল্লী:
বেনারশী পল্লী একসময় শুধুমাত্র বেনারশী শাড়ির জন্যই বিখ্যাত ছিল। গত বছর কয়েক ধরে মিরপুর বেনারশী পল্লিতে বেনারশী শাড়ি ছাড়াও অন্যান্য সব ধরনের শাড়ি পাওয়া যায়। বেনারশী শাড়ি-Old + New, টাঙ্গাইল তাঁতের শাড়ি (কটন)। টাঙ্গাঈল হাফ সিল্ক। রাজশাহী সিল্ক। ধুপিয়ান। ঢাকাই মসলিন। কাতান। কোটা শাড়ি। ব্রোকেট শাড়ি। জামদানী শাড়ি। জর্জেট শাড়ি ইত্যাদি। এ ছাড়াও আরো নতুন নতুন কালেকশন পল্লীতে তৈরী হচ্ছে।
#গুলিস্তান:
সবধরণের কাপড়, জুতা, খেলনা, ক্রোকারিজ, ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রীসহ সব ধরণের জিনিসপত্র পাওয়া যায়।

Multisystem Inflamer Syndrome new Disease beside COVID 19 করোনাভাইরাসের সাথে সম্পর্কিত নতুন একটি রোগ


করোনাভাইরাসের সাথে সম্পর্কিত নতুন একটি রোগ।
জ্বর থেকে শুরু হয়ে ৪ সপ্তাহের মধ্যে হৃদযন্ত্র, কিডনিসহ অন্যান্য অর্গান নষ্ট করে দিতে পারে এ রোগ। মাল্টিসিস্টেম ইনফ্লেমেটরি সিনড্রোম।
সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শিশু-কিশোর বয়সীরা। চিকিৎসার আওতায় এসেছে, বাংলাদেশে এমন রোগীর সংখ্যা এখন ১৫ জন।
জ্বর, পেটে ব্যথা ও বমি আর বয়স যদি হয় ১৫ এর মধ্যে তাহলে প্রাথমিক ধারণা হতে পারে মাল্টিসিস্টেম ইনফ্লেমেটরি সিনড্রোম।
এ ব্যাপারে এভারকেয়ার হাসপাতালের শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. তাহেরা নাজরীন জানান, উচ্চমাত্রায় জ্বর থাকে বাচ্চাদের এবং সেটা ১০১ থেকে ১০৫ ডিগ্রি পর্যন্ত হতে পারে। তিন থেকে পাঁচ দিনেই জ্বরের সাথে সাথেই হতে পারে অথবা ধাপে ধাপে কিছু লক্ষণ থাকে। যেমন; সারা গায়ে লাল লাল দানার মতো অথবা রক্তের মতো দাগ থাকতে পারে। এছাড়া সারা শরীরে লাগচে দাগ থাকা।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবাজরা কোথায়


মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবাজরা কোথায় !!!
যেখানে সমগ্র বাংলাদেশে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জনক, অন্যতম অভিভাবক
মরহুম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শোক দিবস পালন হয়েছে, সেখানে কিভাবে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মধ্যে অন্য দেশ তাদের স্বাধীনতা দিবস পালন করছে।
আবার একই দিনে বঙ্গবন্ধুর হত্যা ঘটনা রহস্যজনক, আন্তজাতিকভাবে তদন্ত হলে বন্ধু রাষ্ট ভারত ফেসে যেতে পারে।
Where is the Chetonabaj People..??
It’s a big crime that when in every area of Bangladesh celebrate the grief day of the father of Nation of Bangladesh, then an Indian Deputy HC how celebrate the Independence Day of India.
It’s time to do make judgement to India. But, who will apply justice on Indian Deputy High Commisioner.