RezwanAhmed & His Team || Software Engineer

Fire Safety In Bangladesh

সময়কালঃ ২০১৯, ২৮শে মার্চ  

১মঃ

বাংলাদেশের অবস্থা যে খুব একটা ভালো নেই – এটা সহজে অনুমান। কিন্তু বুঝে না একমাত্র একটি গোত্রের লোক আর তাদের দলের কিছু নির্বাক, অন্ধ মানুষ।

যে দেশের জন – প্রতিনিধিরা জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে, চুরি – ডাকাতি করে কিভাবে ক্ষমতায় থাকা যায়, সেই ভাবনায় থাকে, আর অপরের বিরুদ্ধে কুৎসা করে বেড়ায়, সেই সব জন – প্রতিনিধিরা কখনোও রাষ্ট্রের নাগরিকদের নিরাপত্তা দিতে পারে না, শুধু পারে বড় বড় প্রতিশ্রুতি।

## প্রতিনিয়ত আগুন লাগছে ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায়। নিমতলি ট্রেজেডির পর – অগ্নিকাণ্ড ঘটছে বনানীর এফআর টাওয়ারে।

## প্রতিদিনই রাস্তায় বাস নামক যানবাহনের বেপরোয়া অদক্ষ চালকদের দ্বারা যত মানুষ হত্যা করা হয়েছে, সেসবের বিচার করবে না।

## প্রতিদিনই এনকাউনটারে নিরীহ মানুষ মেরে, বলছে বন্দুক যুদ্ধে হত্যা।

রাষ্ট্র এখন একটা নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর ক্ষমতা, স্বার্থ ও হালুয়া – রুটির প্রতিষ্ঠানে পরিণত। মূলত এই রাষ্ট্রটা এখন একটা নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর। সময় সময় গোষ্ঠীটির পরিচয় বা আকার বদলায়, কিন্তু শেষ বিচারে রাষ্ট্রটা হয়ে গেছে একটা নির্ধারিত গোষ্ঠীর।

এভাবে এমন একটা নির্ধারিত গোষ্ঠী আমরা চাই না, যাদের জন্য আমাদের সাধারন নাগরিকদের নিরাপত্তা নেই।

২ঃ

আমাদের সবাইকে ইলেক্ট্রনিক পণ্য আর বিশেষ করে আগুন, দাহ্য জাতীয় জিনিষ ব্যবহারে সতর্ক থাকা উচিত। নষ্ট, বাজেয়াপ্ত ইলেক্ট্রনিক পণ্য ফেলে দিতে হবে। টাকা – পয়সা খরচ করে হলেও ভালো মানে পণ্য কেনা উচিত। আর তা না হলে এভাবে শর্ট সার্কিট ঘটে যেকোনো সময়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

কিছু দিন আগেও ছাত্রদের নিরাপদ সড়ক দাবির আন্দোলনের মিছিলে, গনতান্ত্রিক অধিকার আন্দোলনে রাষ্ট্রয়াত্ত পুলিশ বাহিনীর যেসব জল কামান মারা হতো, আর প্রায় ১০০ ফুট দূরে থেকে যেভাবে জল কামান থেকে পানি ছিটানো হতো, সেইসব জল কামান গুলো কেন ব্যবহার করা হচ্ছে না, সেইসব জল কামান, সর্বাধুনিক বিপদজ্জনক টিয়ারশেল, স্মোক গ্রেনেড, সাউন্ড গ্রেনেড, কি শুধু জনগণ, ছাত্রসমাজ আর বিরোধী দলকে দমানোর জন্যই ।

সরকারের, যারা উন্নয়নের নামে হাজার কোটি টাকায় শুধু কিছু ব্রিজ, কাল্ভারট, ফ্লাইওভার, পদ্মা সেতু নামের খাম্বা ব্রিজ বানাচ্ছে, কিন্তু ভালো মানের লেডার বা মই কিনতে পারছে না, উন্নত মানের প্রযুক্তি ব্যবহার করছে না। পাশাপাশি রাজউক কর্মকর্তাদের একটা অংশ যারা ঘুষ বাণিজ্যে আছে, তাদের অব্যাহতি দেয়া হোক।

সবচেয়ে অবাক বিষয় – আমাদের প্রধানমন্ত্রীকেই ভবন নির্মাণের কোড অনুসরনে জোর দিতে হয় আর আগুন নিয়ন্ত্রণ কাজেও তদারকি করতে তাহলে অন্যদের দায়িত্ব কি। প্রধানমন্ত্রী নিজেও বলেছেন এসব বড় বড় পোস্টার না দিয়ে দেশের উন্নয়নের জন্য করুন।

শুধু আছে বড় বড় পোস্টারের রাজনীতি, উন্নয়নের গাঁজাখোর গল্প, আর যত সব ফালতু স্লোগান। বাস্তবে জনগণের সাথে তামাশা করছে।

Advertisements

Suggestion ::

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.