RezwanAhmed & His Team || Software Engineer

Latest

Why Brain Stroke Be Happen


স্ট্রোক সাধারণত বাথরুমেই বেশি হয়ে থাকে কেন?

স্ট্রোক সাধারণত বাথরুমেই বেশি হয়ে থাকে কারন,বাথরুমে ঢুকে গোসল করার সময় আমরা প্রথমেই মাথা এবং চুল ভেজাই যা একদম উচিৎ নয়। এটি একটি ভুল পদ্ধতি।
এইভাবে প্রথমেই মাথায় পানি দিলে রক্ত দ্রুত মাথায় উঠে যায় এবং কৈশিক ও ধমনী একসাথে ছিঁড়ে যেতে পারে। ফলস্বরূপ ঘটে স্ট্রোক অতঃপর মাটিতে পড়ে যাওয়া।
কানাডার মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্ট্রোক বা মিনি স্ট্রোকের কারণে যে ধরনের ঝুঁকির কথা আগে ধারণা করা হতো, প্রকৃতপক্ষে এই ঝুঁকি দীর্ঘস্থায়ী এবং আরও ভয়াবহ।
বিশ্বের একাধিক গবেষণা রিপোর্ট অনুযায়ী, গোসলের সময় স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বা পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে।
চিকিৎসকদের মতে, গোসল করার সময় কিছু নিয়ম মেনে গোসল করা উচিত। সঠিক নিয়ম মেনে গোসল না করলে হতে পারে মৃত্যুও। গোসল করার সময় প্রথমেই মাথা এবং চুল ভেজানো একদম উচিৎ নয়। কারণ, মানুষের শরীরে রক্ত সঞ্চালন একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় হয়ে থাকে। শরীরের তাপমাত্রা বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নিতে কিছুটা সময় লাগে। চিকিৎসকদের মতে, মাথায় প্রথমেই পানি দিলে সঙ্গে সঙ্গে রক্ত সঞ্চালনের গতি বহু গুণ বেড়ে যায়। সেসময় বেড়ে যেতে পারে স্ট্রোকের ঝুঁকিও। তা ছাড়া মাত্রাতিরিক্ত রক্তচাপের ফলে মস্তিষ্কের ধমনী ছিঁড়ে যেতে পারে।
গোসলের সঠিক নিয়মঃ-
** প্রথমে পায়ের পাতা ভেজাতে হবে। এরপর আস্তে আস্তে উপর দিকে কাঁধ পর্যন্ত ভেজাতে হবে।
** তারপর মুখে পানি দিতে হবে।
** সবার শেষে মাথায় পানি দেওয়া উচিত।
এই পদ্ধতি যাদের উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল এবং মাইগ্রেন আছে তাদের অবশ্যই পালন করা উচিৎ।
এই তথ্যগুলো বয়স্ক মা-বাবা এবং আত্মীয় পরিজনদের অবশ্যই জানিয়ে রাখুন।

Read More Durud Sharif during Pandemic


করোনা ভাইরাসে আজ সারা বিশ্ব সহ বাংলাদেশও বিপর্যস্ত ।
সাথে এই মহামারীতে একে অপরকে দোষারোপ করে যাচ্ছে , এমন একটা শক্তিশালী ভাইরাস ছড়ানোর জন্য।
দোষারোপ না করে, সবচেয়ে ভালো হয় – আমরা বেশী করে দোয়া ও দুরুদ শরিফ পড়া। আয়াতুল কুরসি আমরা কম বেশী সবাই পারি । বেশী করে আয়াতুল কুরসি সুরার সাথে সুরা ফাতিহা পড়তে হবে।
বাসা থেকে বের হবার সময় বেশী করে আয়াতুল কুরসি আর সুরা ফাতিহা পড়তে হবে। আল্লাহ্‌ যেন আমাদের সবাইকে সুস্থতা দান করেন।

Money of Pocket and Love


মানুষের পকেটের সাথে মনের সম্পর্কটা সরাসরি…
আর এটাকে অস্বীকার করার কোনও অবকাশ নেই… !!!
Many People think that love always linked with the heart.
But, absolutely Heart and Love always engaged with the MONEY as well as no one could not ignore this Reality.

Dua of Relief from Pandemic


মহামারী থেকে বাঁচার দোয়া::
হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি সন্ধ্যায় তিনবার বলবে ‘বিসমিল্লা-হিল্লাজি লা ইয়াদ্বুররু মাআসমিহি শাইউন ফিল আরদ্বি ওয়ালা ফিস সামা-ই, ওয়াহুয়াস সামি উল আলিম’। সকাল হওয়া পর্যন্ত তার প্রতি আকস্মিক কোনো বিপদ আসবে না।

আর যে তা সকালে তিনবার বলবে সন্ধ্যা পর্যন্ত তার ওপর আচমকা কোনো বিপদ আসবে না। (আবু দাউদ, হাদিস : ৫০৮৮)

দোয়ার অর্থ : ‘আল্লাহর নামে যার নামের বরকতে আসমান ও জমিনের কোনো বস্তুই ক্ষতি করতে পারে না, তিনি সর্বশ্রোতা ও মহাজ্ঞানী।’

আরেকটি দোয়ায় রয়েছে, ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল বারাসি, ওয়াল জুনু-নি, ওয়াল জুজামি, ওয়া মিন সাইয়িইল আসকাম।’

অর্থ : হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে কুষ্ঠরোগ, মস্তিষ্কের বিকৃতি ও সব ধরনের দুরারোগ্য থেকে মুক্তি চাচ্ছি।’ (আদু দাউদ, হাদিস : ৫৪৯৩)

আহমদ ছফা


আহমদ ছফা….

কে এই আহমদ ছফা?
একবার খালেদা জিয়া আহমদ ছফাকে ফোন করে দাওয়াত করেছিলেন। তিনি বেগম জিয়াকে বলেছিলেন, যেতে পারি এক শর্তে। আমাকে নিজের হাতে রান্না করে খাওয়াতে হবে।
শেখ হাসিনার কাছে গিয়েছিলাম। তিনি (শেখ হা‌সিনা) আমাকে রান্না করে খাইয়েছিলেন। খালেদা জিয়ার রান্না করার সময়ও হয়নি, ছফাও আর যাননি।
খালেদা জিয়ার সঙ্গে ছফা র আরেকবার ফোনালাপ হয়েছিল। উপলক্ষ ছিল এনজিও ব্যুরো থেকে ‘বাংলা-জার্মান সম্প্রীতি’র রেজিস্ট্রেশনের ব্যাপারে।
ছফা ই বেগম জিয়াকে ফোন করেছিলেন। ফোনটি ধরেছিলেন তাঁর পিএস। ছফা বিনয়ের সঙ্গে পিএ কে বলেছিলেন, ম্যাডামকে কি একটু দেয়া যাবে? আমি তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চাই।
পিএ সাহেব জানতে চাইলেন, আপনি কে?
ছফার জবাব, আমি আহমদ ছফা।
পিএ সাহেব ফের জানতে চাইলেন, কোন আহমদ ছফা?
পিএস-এর কথায় ছফা ভয়ানক রকম খেপে গিয়েছিলেন। তিনি রাগলে সচরাচর যে গালটি তাঁর মুখ দিয়ে বা’র হত সেটি বেরিয়ে গিয়েছিল।
তারপর তিনি কোন রকম ভূমিকা না করে বললেন, বাংলাদেশে আহমদ ছফা দু’জন আছে নাকি ?
ছফা কথা না বাড়িয়ে রিসিভারটি ধপাস করে রেখে দিয়েছিলেন।
পিএ সাহেব ছফার এ অশোভন আচরণের কথা বেগম জিয়াকে জানিয়েছিলেন কিনা জানা যায়নি। কিছুক্ষণ পরে বেগম জিয়া ফোন করেছিলেন। ছফা র কথার ঝাল তখনও থেকে গিয়েছিল। ফোন পেয়ে তিনি বেগম জিয়াকে বিরক্ত কণ্ঠে বলেছিলেন, ম্যাডাম, কী সব অশিক্ষিত পিএ টি এ রাখেন আহমদ ছফার নাম জানে না।
আহমদ ছফা র কথায় বেগম জিয়া হেসে জবাব দিয়েছিলেন, আমি নিজে অশিক্ষিত; শিক্ষিত মানুষ পাব কোথায়। আপনারা কেউ তো এগিয়ে আসছেন না।
*বাংলা একাডেমীর একুশে বইমেলায় কলকাতার বই আসত।
আহমদ ছফা এর বিরোধীতায় নামেন। তার বিরোধীতার ফলে কলকাতার বই আসা বন্ধ হয়। ছফা কাজটা করেছিলেন দেশের লেখকদের কল্যানের জন্য কিন্তু এদশেরই লেখক শওকত ওসমান তাকে বাজে লোক বলে মন্তব্য করেন।
এরপর আহমদ ছফা তাকে নিয়ে নিউমার্কেটের বইয়ের দোকানে দোকানে নিয়ে যান। জিজ্ঞেস করেন শওকত ওসমানের কোন বই আছে কিনা। লেখককে কেই চিনতে পারল না। তখন কলকাতার একজন সাধারন মানের লেখকের নাম বলতেই অনেকগুলো বই বের করে দিল।
আহমদ ছফা তখন শওকত ওসমানকে বললেন,
“” দেশটা আমরা বাল ছেঁড়ার জন্যে স্বাধীন করেছি? “”
* বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একবার আহমদ ছফা‌কে প্রস্তাব দিয়েছিলেন, রাষ্ট্রদূত হওয়ার জন্য। কিন্ত, তিনি (বঙ্গবন্ধু) যখন বললেন শর্ত আছে।
তখন আহমদ ছফা বলেছিলেন, শর্ত ছফার জন্য নয়, আপনি অন্য কাউকে দেখুন। এতে শেখ মুজিবর অত্যান্ত রুষ্ঠ হন। পরবর্তীতে তাকে অনুরোধ করেছিলেন, শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা হওয়ার জন্য।
আহমদ ছফা বলেছিলেন সম্ভব নয়।
আমাকে ধারণ করার মতো শক্তি আপনার সরকার বা আপনার প্রশাসনের নেই।
* হুমায়ূন আহমেদ সহ কয়েকজন প্রতিজ্ঞা করেছিলেন কেউ বিয়ে করবেন না। সবাই বিয়ে করেছিলো এক আহমদ ছফা ছাড়া। তিনি চিরকুমার ই ছিলেন।
বাংলা সাহিত্যে এ পর্যন্ত যত প্রাবন্ধিক, লেখক এবং সাহিত্যিক জন্মগ্রহণ করেছেন তন্মধ্যে আহমদ ছফাই সবচেয়ে সাহসী, বুদ্ধিমান, কুশলী, বহুমুখী, সাধারণ এবং তেজময়। নির্লোভ মননশীলতা এবং সত্যসমৃদ্ধ স্পষ্টবাদিতার জন্য তাঁকে ভয় পেতেন সে সময়ের সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবিরা ।
কেউ যদি কয়েক পৃষ্ঠার একটি প্রবন্ধ পড়ে কোনো বিষয়ে নিবিড় জ্ঞান অর্জন করতে চান তাহলে তার জন্য সহজ ও বিচক্ষণ উপায় হচ্ছে আহমদ ছফার প্রবন্ধ পাঠ।
যিনি সব সময় সত্য কথা বলতে ভয় পেতেন না এবং সকল অন্যায় এর প্রতিবাদ করতেন ।
এই সেই আহমদ ছফা যিনি স্বাধীন বাংলাদেশে জনপ্রিয় লেখক হুমায়ুন আহমেদ এর পরিবারকে গৃহ.হীন করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিলেন এবং তাদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন ।
আহমদ ছফা’র খবর রাখে এমন মানুষ খুব বেশি নাই। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের মধ্যে সমরেশ মজুমদার এর খবর যতজন রাখে তার সিকি ভাগ ও ছফা কে চেনে কিনা সন্দেহ । ২০০১ সালের ২৮ জুলাই অসুস্থ অবস্থায় ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতালে নেয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। পরদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদে জানাজা শেষে মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী গোরস্থনে দাফন।
ওনার একটি উক্তি দিয়ে শেষ করছি-
“ কাউকে জ্ঞান বিতরণের আগে জেনে নিও যে তার মধ্যে সেই জ্ঞানের পিপাসা আছে কি-না। অন্যথায় এ ধরণের জ্ঞান বিতরণ করা হবে এক ধরণের জবরদস্তি। জন্তুর সাথে জবরদস্তি করা যায়, মানুষের সাথে নয়। হিউম্যান উইল রিভল্ট। ”

করোনা ভাইরাস আর মহামারী ২০২০


আজকের প্রজন্ম মহামারী কি জিনিস জানতো না, এমন কি মহামারী আমি নিজেও দেখি নাই, কিন্তু করোনা ভাইরাস দেখিয়ে দিচ্ছে মহামারী কি জিনিস আর এরপর আরও কি কি ভায়াবহ অবস্থা আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে।

আমার বাবা আগেও বলেছিলেন, এখনো বলেন – এই কলেরার সময় আমার দাদা, তাঁর স্বজনকে হারিয়েছেন, সেই সময়টা ১৯১৭ সন। কলেরার সময়, রাতের বেলায় প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে ঘুমিয়ে যায় আমার দাদার বাবা। সকালে উঠার পর কোন সাড়া না পেয়ে দেখেন উনি মৃত ।

আজকের করোনা ভাইরাসের প্রকোপে যে অবস্থা যাচ্ছে, বলার অপেক্ষা রাখে না – এরপর আরও খারাপ সময় আসছে। পাখি প্রায়ই খাবারের খোঁজে বাসার বারান্দায় আনাগনা করে। কুকুর খাবেরের আশার প্রতি রাতেই কাঁদছে ।

সেই দিন নিজের চোখেই দেখলাম –
খাবারের জন্য বাসার সামনের কিছু কুকুর একটা জলজ্যান্ত বিড়ালকে মেরে, ৪-৫ টা কুকুর মিলে টানা হেচরা করেছিল।

 

গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোঃ আবদুল্লাহ ইন্তেকাল করেছেন


গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোঃ আবদুল্লাহ ইন্তেকাল করেছেন, সেখানে ১০০% পোস্টের মধ্যে ৯৯% পোস্টের মধ্যেই হা হা রিয়েক্ট দেখলাম।

আজকে বলিউডের একজন অভিনেতা আত্নহত্যা করছে সেই ১০০% পোস্টের মধ্যে ১০০%পোস্টেই সেড রি-অ্যাক্ট দেখছি। বাংলাদেশের মানুষের বিবেক কোথায় গিয়েছে, তাই দেখলাম।

কারণ, ভারতীয়দের জন্য আমাদের বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষের দেশপ্রেম উতলে উঠে, অথচ, এই ভারতের সীমান্তরক্ষীর গুলিতে কত বাংলাদেশী তাদের জীবন হারিয়েছে।

ধিক্কার সেইসব ভারতপ্রেমী বাংলাদেশীদের, যারা অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের আত্মহত্যায় রি-অ্যাক্ট দিচ্ছে।

%d bloggers like this: